স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী :: টঙ্গীতে নির্বাচনী প্রচারণার নামে গাজীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর (ট্রাক প্রতীক) নেতাকর্মীরা সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গেট, প্রশাসনিক ভবন, ছাত্র কমনরুম ও ছাত্রী নিবাসে ভাংচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে টঙ্গী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার বিকেলে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী, এরশাদনগর, শালিকচুড়া, হোসেন মার্কেট, চেরাগআলীসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় কলেজ গেট এলাকায় এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন টঙ্গী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সেলিম খান, যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান শিশির, রিফাত বিন হোসেন রেইন, মিরাজুর রহমান রায়হান প্রমুখ।
সভায় টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সেলিম খান বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী আলিম উদ্দিন বুদ্দিনের নির্বাচনী প্রচারণার নামে তার নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত অনৈতিকভাবে কলেজে প্রবেশ করে কলেজের আশেপাশে টানানো জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের স্থির চিত্রের যে ফ্যাস্টুনগুলো ছিল সেগুলো ভাংচুর করেছে। ভাংচুরের মাধ্যমে তার জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকে অস্বীকার করেছে। তারা সরকারি যে ভবন বা স্থাপনা রয়েছে যেমন-একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবনের জানালা ভাংচুর করেছে। এছাড়াও দুর্বৃত্তরা কলেজের উত্তর পাশের ফটক ভেঙ্গে ক্যাম্পাসের ভিতরে ছাত্রী নিবাসের গেটে লাঠিসোটা দিয়ে পেটায় এবং ছাত্রদের কমনরুমে ভাংচুর চালায়। এসকল অপকর্মের কারনে আমরা স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
এ বিষয়ে আলিম উদ্দিন বুদ্দিনের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী গাজীপুর সিটির সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা অনুমতি নিয়ে বিজয় সভা করেছি। তালা ভাঙা বা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বরং আমাদের চারটি মাইক ছিনিয়ে নিয়ে আমাদের সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, একটি জিডি হয়েছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।