July 9, 2026, 2:50 pm

শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ৭৩তম জন্মদিন পালিত

Reporter Name
  • আপডেট Thursday, November 9, 2023
  • 130 জন দেখেছে

জয়নাল আবেদীন সরকার, স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী :: গাজীপুরের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা ও প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা ভাওয়ালবীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে মহিলা আওয়ামী লীগ টঙ্গীর নতুন বাজার দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় বক্তব্য রাখেন, শেলিনা ইউনুস,হাজী শিরিন শহিদ, তাছলীমা নয়ন, ফাহিমা আক্তার হোসনা, নাজমা হোসেন, আঞ্জুমনোয়ারা বেগম, ফারহানা বেগম প্রমুখ। আজ বৃহস্পতিবার তার জন্মস্থান গাজীপুর মহানগরের হায়দরাবাদ গ্রামে সকাল থেকে কোরানখানি, কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। দিনব্যাপী টঙ্গী আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া শেষে এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। এতে আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি স্মৃতি পরিষদ, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, কৃষকলীগ মৎস্যজীবী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা কেক কেটে জন্মদিন পালন করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার পরিচ্ছন্ন, সাহসী রাজনীতিবিদ ও জনপ্রিয় জননেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জনপ্রিয় অনেকেই হন, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই কতজন নিতে পারেন? আহসান উল্লাহ ছিলেন তেমনই একজন। দেশের আন্দোলন, সংগ্রাম, অধিকার নিশ্চিতকরণে তার নাম চির অক্ষয় হয়ে থাকবে। শহীদ আহসান উল্লাহ সততা, আদর্শের ইতিহাস তৈরি করে গেছেন। তার সেই জীবন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আহসান উল্লাহ মাস্টারের মতো নিবেদিতপ্রাণ নেতা যারা ছিলেন স্বাধীনতা বিরোধীরা বিভিন্ন সময় তাদের হত্যা করে।
উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের ৯ই নভেম্বর গাজীপুর মহানগরের হায়দরাবাদ গ্রামে আহসান উল্লাহ মাস্টার জন্মগ্রহণ করেন। তিনি গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হন। এর আগে ১৯৯০সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে দু’দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আহসান উল্লাহ মাস্টার শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সস্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৪ সালের ৭ই মে টঙ্গীস্থ নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে দলীয় জনসভায় প্রকাশ্যে দিবালোকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে তাকে হত্যা করে। ২০০৫ সালের ১৬ই মে এই মামলার রায়ে ২২ জনের ফাঁসি ও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর