হাসপাতালে হাসুন বানুর ভাতিজা নূরে আলম জানান, রূপগঞ্জের আউখাব বজার এলাকায় জাহাঙ্গীরের বাড়ির নিচতলা তারা ভাড়া থাকেন। হাসুন বানু গৃহিণী, তার স্বামী ও ভাই গাউছিয়া বাজারে শুটকির দোকান করেন। এ ছাড়া মেয়ে সাহারা প্রতিবন্ধী এবং ছেলে ওমর ফারুক স্থানীয় অনুপম গার্মেন্টে চাকরি করেন। বাসাটিতে লাইনে তেমন গ্যাস থাকে না। সেজন্য রান্নার কাজে গ্যাসের চাপ বাড়াতে ২ সপ্তাহ আগে কম্প্রেসার লাগিয়েছেন। রাতে তারা যখন বাসাটিতে ঘুমিয়ে ছিলেন তখন গ্যাস লাইন থেকেই এই বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনার পরপর প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে তাদের ঢাকায় পাঠান।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, হাসুন বানুর শরীরের ৪৬ শতাংশ, তার স্বামী আলি আহমেদ এর শরীরের ৫৮ শতাংশ, মেয়ে সাহেরার শরীরের ৩০ শতাংশ, ছেলে ওমর ফারুকের শরীরের ১৫ শতাংশ এবং ভাই সোনাউদ্দিনের শরীরের ৯৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবার অবস্থা গুরুতর।