July 9, 2026, 3:58 pm

শ্রীপুরে ওষুধের দোকানমালিককে হত্যার আট মাস পর ৩ যুবক গ্রেপ্তার

Reporter Name
  • আপডেট Tuesday, September 9, 2025
  • 69 জন দেখেছে

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: গাজীপুরের শ্রীপুরে ওষুধের দোকানের মালিককে ইট দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে শ্রীপুর পৌরসভার মসজিদ মোড় এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রুবেল (২৬) শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিমখণ্ড গ্রামের মো. আলী আকবরের ছেলে। বাকি দুজন হলেন রুবেলের সহযোগী সাব্বির হোসেন (২২) ও সজিব হাসান (২০)।
গত ১ জানুয়ারি মাওনা চৌরাস্তা মসজিদ মোড় এলাকায় ওষুধ ব্যবসায়ী মো. হাসিবুল ইসলাম বাদশাকে (৪০) পিটিয়ে খুন করা হয়। নিহত হাসিবুল শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিমখণ্ড গ্রামের মো. আব্দুল হাইয়ের ছেলে। তিনি মসজিদ মোড় এলাকায় মা মণি নামের একটি ফামের্সি চালাতেন।
নিহত ব্যক্তির স্ত্রী মাহমুদা আক্তার আজকের পত্রিকাকে জানান, ১ জানুয়ারি রাতে বাবার বাড়ি থেকে প্রাইভেট কারে বাসায় ফিরছিলেন তাঁরা। রাত সোয়া ২টায় বাসার সামনে রাস্তায় গাড়ি রেখে দোকানে চাবি আনতে যান হাসিবুল। এ সময় রুবেলের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের ছেলেরা তাঁদের গাড়ির সামনে এসে অশালীন কথা বলতে শুরু করেন। একপর্যায়ে গাড়িতে থাকা নারীদের হেনস্তার চেষ্টা করেন। এ সময় গাড়িচালক শিমুল এসে বাধা দিলে তাঁকে মারধর করেন বখাটেরা। মাহমুদা জানান, তাঁর স্বামী হাসিবুল রুবেলকে হাত বুলিয়ে হাতজোড় করে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু রুবেল ও তাঁর সঙ্গীরা সবাই মাদকাসক্ত ছিলেন। তাঁরা হাসিবুলের অনুরোধের তোয়াক্কা করেননি। এরপর তাঁরা বাসায় ঢুকে গেট বন্ধ করে দেন। এর কিছুক্ষণ পর বাসার গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে হাসিবুলকে বাড়ির উঠানে রাখা ইট দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন রুবেল ও তাঁর সঙ্গীরা। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। যাওয়ার সময় হামলাকারী কিশোর গ্যাংটি হুমকি দিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ঘটনার পর থেকে সন্ত্রাসীরা আত্মগোপনে ছিলেন। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে গোপন সূত্রে পুলিশ তাঁদের অবস্থান জানতে পারে। এরপর পুলিশ একাধিক সদস্য নিয়ে একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার একটি সুড়ঙ্গপথে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আসামিরা। এ সময় পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আসামিদের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হবে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর