স্টাফ রিপোর্টার :: লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার দক্ষিণ পূর্ব চর লরেন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী মশিউর রহমান আশিকুর জানান, বিগত ২০০৮ সালের ৩১ মে তার নানী রৌশনারা বেগম মারা যায়। এপর ২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর তার নানা হাজী রুহুল আমিন মারা যায়। মারা যাওয়ার পর ইসলামিক এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী নানা-নানীর সম্পত্তি ভাগ করে দিতে হয়। আমার আব্বু অনেক বার বৈঠকে বসে সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার জন্য আমার মামাকে বলেন। কিন্তু মামা ও মামার শ^শুর আওয়ামীলীগ থেকে দুইবার এমপি থাকার করণে তিনি ক্ষমতার দাপট দেখান। সেই ক্ষমতা বলে সম্পত্তি বন্টন এবং কোন হিসাবও দেননি। আমরা বিভিন্ন নির্যাতনের ভয়ে মুখ খুলে কথাও বলতে পারিনি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেয়া যাচ্ছে না। আইনের আশ্রয় নিলে তারা প্রশাসনকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ফেলে।
আমার নানা একজন নিরক্ষর লোক, আমার নানা হজে যাওয়ার আগে মামাদেরকে রেকর্ডের দায়িত্ব দিলে তারা ১৩ একর সম্পত্তি নিজেদের নামে রেকর্ড ভুক্ত করে নেয়।মোট সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক ৩৫ একর। তবে তার বেশিও হতে পারে। এখনো ওনারা সম্পত্তির পরিমাণও বলে নাহ। তাদের ভাই রয়েছে ২/৩ জন।
গত ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর আমার আব্বু কমলনগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যা ও জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহসভাপতির কাছে যান। পরে চেয়ারম্যানসহ থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ দেওয়ার পরও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এছাড়াও ২০০৬ সালে কমলনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন, মাহফুজুল হক মিলন আমার মামার সাথে পালিয়ে যায়। এছাড়াও আমার মামার একটি মামলা ছিল সেই মামলা থেকে উদ্ধার করতে গিয়ে আমার আব্বু ৩ লক্ষ ১৯ হাজার টাকা দেয়। সেই টাকাও এখন পর্যন্ত দেয়নি। আমি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।