দৈনিক বিজয়বাংলা ডেস্ক :: র্যাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপও যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করা হয়েছে।ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব সংলাপে এসব তুলে ধরা হয়। আজ বৃহস্পতিবার (৪ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নবম বাংলাদেশ-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব সংলাপ ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে পারস্পরিক স্বার্থের গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সংলাপে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট ফর পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
পররাষ্ট্র সচিব মোমেন মার্কিন পক্ষকে স্থানীয় ও জাতীয় উভয় পর্যায়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করতে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেন। মার্কিন পক্ষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট অঙ্গীকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের যুক্ত করার জন্য প্রশংসা করেছে।
তিনি র্যাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি রাশেদ চৌধুরীকে হস্তান্তরের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন। আন্ডার সেক্রেটারি নুল্যান্ড বাংলাদেশ সরকারের এ বছরের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পর্যালোচনা করার ঘোষণার বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য শ্রম খাত সংস্কারের সঙ্গে অব্যাহত অগ্রগতির গুরুত্বের ওপর জোর দেন। উভয় পক্ষই বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে ক্রমবর্ধমান ও প্রাণবন্ত ব্যবসায়িক সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা বাংলাদেশে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম বাড়াতে সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা সুরক্ষায় আরও কাজ চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।
সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস, রাষ্ট্রদূত ডোনাল্ড লু, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, হোয়াইট হাউস ও ইউএসএআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন।