নিজস্ব প্রতিবেদক:: বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএফইউজের সাবেক সভাপতি এম আবদুল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশে এক শ্রেণির ভুঁইফোড় সংগঠন মানবাধিকারের নামে গজিয়ে উঠেছে। তারা মূলত বাণিজ্য করে। দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য মানবাধিকার সংগঠন কাজ করবে। আওয়ামী লীগ হোক কিংবা অন্য দল, যারাই মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে সে যেন শাস্তি পায়। শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হল রুমে বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এম আবদুল্লাহ বলেন, এমন এক সময়ে আমরা এসেছি যখন বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ভূলন্ঠিত হচ্ছে, পদদলিত হচ্ছে। একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র, কোনরকম পূর্ব ঘোষণা ছাড়া ইরানে হামলা চালিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। একইভাবে তারা ফিলিস্তিনের গাজায় নির্বিচারে নারী শিশুসহ মানুষ হত্যা করছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্টতর হচ্ছে গুম। গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবার লাশ পর্যন্ত খুঁজে পায় না, যেটি মানবাধিকারে নিকৃষ্টতম লঙ্ঘন।
এম আবদুল্লাহ বলেন, যারা সাংবাদিকতা করে তারা সবাই মানবাধিকার কর্মী। যে কোন মানবাধিকার হরণের পরে সবার আগে পুলিশ এবং সাংবাদিকদের স্মরণ করেন সাধারণ ভুক্তভোগীরা। কারণ অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে সাংবাদিকরাই কলম ধরেন। পুলিশও যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন তাহলে পুলিশের প্রতিটি সদস্য মানবাধিকার কর্মী।
বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অতিরিক্ত মহাসচিব সাংবাদিক নুরউদ্দীন খান সাগরের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এডভোকেট জাফর হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি মুহাম্মদ মুসলিম উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজা প্রমুখ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহকারী হিসাব নিয়ন্ত্রক প্রশাসন এনামুল হক, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রসুল, বাংলাদেশ মানবাধিকার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মহিউদ্দীন স্বপন, জি.এম আইটির চেয়ারম্যান কামরুল কায়েস চৌধুরী, নাসিরাবাদ পাবলিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আবদুর রব সোহেল, রবিউল হোসেন রবি, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাত হোসেন গোলাম সরোয়ার প্রমুখ।