শারমিন আক্তার :: গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর পশ্চিম থানার ৫২নম্বর ওয়ার্ড সাতাইশ দাড়াইল এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী খোকন ও খলিলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা ওই এলাকায় একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেটের তৈরি করে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড চালাচ্ছে বলে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা জানান, ইয়াবা খোকন ওরফে খোকন মিয়া ও মোহাম্মদ খলিল মিয়া তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল ও বিদেশি মদসহ অবৈধ ব্যবসা। খোকন মিয়া ও খলিল মিয়া দীর্ঘদিন যাবত এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রি করেন। স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু দুর্নীবাজ লোকজনকে ব্যবহার করে এবং মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এই মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড চালাচ্ছেন।
অভিযোগ রয়েছে মাসিক “চাঁদা” নেওয়া হয়, হুমকি-ধমকির মাধ্যমে অভিযোগকারীদেরকে স্তব্ধ রাখা হয় এবং পুলিশের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এড়ানো হয়। ইয়াবা খোকন পরিচয় ও অভিযোগ স্থানীয়ভাবে “ইয়াবা খোকন” নামে পরিচিত খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নজরে বহু মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, বেশ কয়েকটি মামলা অস্ত্রবিস্তার ও সশস্ত্র কার্যকলাপে জড়িয়ে থাকার অভিযোগ ভুয়া নথি/ভাড়াটিয়া ঠিকানায় ব্যবসা চালানোর মাধ্যমে সম্পদ জালিয়াতি ও লুকিয়ে রাখার অভিযোগ (উপরের বিষয়গুলো স্থানীয় অভিযোগ হিসেবে তুলে ধরা; এগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি/আদেশে যাচাই করা যাবে।)
খলিল মিয়া সহযোগী ও নেটওয়ার্কার: মোহাম্মদ খলিল মিয়া স্থানীয়দের বর্ণনায় খোকনের ডানহাত হিসেবে শুরু করেছিলেন। পরে নিজে একটি ডিলার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। স্থানীয় এক নারী খলিলের কথিত ছোট স্ত্রী রুজি আক্তার। তিনি দাবি করেছেন খলিলের উপর পরিবারের সদস্যদের ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা চালানোর অভিযোগ। রুজি বলেন, “সারারাত ইয়াবা, গাঁজা বিক্রি করে… ব্যবহার এত খারাপ, সংসার করা অসম্ভব। তার ১৪ জন স্ত্রী আছে, আমরা ৩ জন এখন আলাদা থাকি।” সিন্ডিকেটে নাম করা অন্যান্য ব্যক্তির অভিযোগ ভিত্তিক তালিকা স্থানীয় সূত্রে, যাদের নাম এসেছে অভিযোগ ভিত্তিক; আনুষ্ঠানিক তদন্তেই প্রতিষ্ঠা করা যাবে। গাঁজাখোর সমুন ইয়াবা আরিফ জুয়াড়ির ইয়াবা গড প্রদার খোকন মিয়া টিকটক বালু (মাদক পরিবহনকারী) রুবেল ওরফে ডলার রুবেল (নারী ব্যবহারকারী হিসেবে উল্লেখ) স্থানীয়ভাবে আরও যাদের নাম বলা হয়েছে: শাহাজাহানের ছেলে গিরা বাবু, ছোট আরিফ, সুন্দর আলি পিতা গাজি মিয়া। স্থানীয়রা দাবি করছেন এদেরও ব্যবসায়িক জড়িত থাকার কথাও। নোট: উপরের নামগুলো স্থানীয় অভিযোগের হুবহু উপস্থাপনা; কোনো নাম সরাসরি অপরাধ নির্ধারণ করে না। প্রকাশের আগে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ও প্রশাসনিক মন্তব্য সংগ্রহ করা আবশ্যক। স্থানীয়দের উদ্বেগ ও দাবি অভিযোগ-ভুক্ত এলাকাবাসীরা বলছেন। মাদক সিন্ডিকেটের কারণে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া শিক্ষার্থী, বেকার যুবক ও কিশোরগ্যাং পর্যন্ত মাদকের গ্রাহক ও কর্মী হিসেবে জড়িয়ে পড়ছে। তারা সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কাছে নিম্নলিখিত দাবি করেছেন: ১. র্যাব/ডিবি কর্তৃক বিশেষ অভিযান চালিয়ে সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া।