July 9, 2026, 7:33 pm

পূবাইলে মসজিদ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, সভাপতিসহ একাধিক মুসল্লি আহতের অভিযোগ

Reporter Name
  • আপডেট Saturday, September 13, 2025
  • 83 জন দেখেছে

মো: জাফর আলী :: গাজীপুরের পূবাইল থানার তালটিয়া পূর্বপাড়া সুন্নি বাইতুল নূর জামে মসজিদে নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মসজিদের সভাপতি, মুসল্লি ও স্থানীয় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এক পক্ষ পূবাইল থানা অভিযোগ জানিয়েছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয়রা এক প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।
পূবাইল থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে দুপুর দুইটার দিকে মসজিদে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এতে মো. হাবিবুর রহমান সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধিতা করেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন ও তার ছেলে সোহাগসহ তাদের স্বজনরা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কমিটি ঘোষণা শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় মোক্তার হোসেন, তার ছেলে সোহাগ, শাহিন, শফিকসহ আরও কয়েকজন এবং অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জন মিলে মসজিদের সামনে হামলা চালান। এসময় তারা মসজিদের সভাপতি হাবিবুর রহমানকে গালিগালাজ করেন এবং মুসল্লি রাকিব হোসেন মোল্লাকে মারধর করেন। তার গলা থেকে প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া মুসল্লি রিপন, মাসুম ও বাচ্চুসহ কয়েকজনকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়। একই দিন বিকালে তালটিয়া রেলগেট এলাকায় সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য চেয়ার আনতে যাওয়া স্থানীয় কিশোর শান্তকে মারধর করে বিবাদীরা। শান্তকে বাঁচাতে গেলে দোকানদার মুরাদ হোসেনকেও তারা মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
মসজিদের ইমাম আবু রায়হান বলেন, জুমার নামাজের আগে সবাইকে জানিয়ে সর্বসম্মতভাবে কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু নামাজ শেষে বাইরে এসে একপক্ষ গালিগালাজ ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
নতুন কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি রাসেদুল হাসান রাসেল বলেন, ‘আমরা কোনো বিরোধ চাইনি। সবকিছু মসজিদের ভেতরে মুসল্লিদের মতামত নিয়েই হয়েছে।’
অন্যদিকে সোহাগ সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তার বাবা বহু দিন এই মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এখন তার বয়স হয়েছে, দায়িত্ব পালনে কষ্ট হয়, তাই তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চাচ্ছিলেন গত দুই মাস ধরে। নতুন কমিটি নিয়ে তার ও তার বাবার কোনো অভিযোগ নেই জানিয়ে সোহাগ অভিযোগ করেন, ‘তবে নতুন কমিটি হওয়ার পর ওই দিনই মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে চাকরিচ্যুত করার প্রস্তাব করলে আমার বাবা তাতে বিরোধিতা করেন। এ কারণে তার ওপর ওপর হামলা করা হয়।’

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর