বিজয়বাংলাটিভি ডেস্ক:: দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবনে বিএনপি সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ১২ থেকে ১৫ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সার্ক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সার্কের ছয়টি দেশের সংস্কৃতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে সরকার বিভিন্ন সময়ে তার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ অঞ্চলের প্রায় ২০০ কোটি মানুষের বৃহত্তর স্বার্থে সার্ককে কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
নির্বাচনের পর রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ সার্কের উদ্যোক্তা দেশ। স্বাভাবিকভাবেই আমরা সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে চাই। বিএনপি সরকার গঠন করলে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে। সরকার গঠনের পর প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করবে।
১৯৮০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশের উদ্যোগেই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা সামনে আসে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ উদ্যোগের প্রস্তাব ও বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের নেতাদের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সংস্থাটির সনদ কার্যকর হয়। এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও সার্ক পুনরুজ্জীবন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে শান্তি ও আঞ্চলিক সংহতি এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।