স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, গাজীপুরে ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। তারা তাদের হীন চক্রান্ত চরিতার্থ করার জন্য ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে। গাজীপুরের মানুষ আমাকে লক্ষ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে মেয়র পদে নির্বাচিত করেছিলেন। কিন্তু আমি চীন সফরে থাকাকালে ওই কুচক্রিরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা রেকর্ড বানিয়ে আমাকে ফাঁসিয়েছে।
তিনি বলেন, টঙ্গী তথা গাজীপুরবাসী গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি, মামলা ও পুলিশী হয়ারনি এবং রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে আমার মা জায়েদা খাতুনকে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করেছেন। আমরা আপনাদের কাছে ঋণী। আমাদের আদর্শের জায়গা, মায়ের সম্মানের পবিত্র স্থানটা আপনারা রক্ষা করেছেন। আমার মা এবং আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও চেষ্টা করবো সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
আজ শনিবার বিকেলে টঙ্গী দক্ষিণ আউচপাড়া হাজী কছিমউদ্দিন পাবলিক স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন অবিভক্ত টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রজব আলী। সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, আমি বরাবরই বলে আসছি, আমরা নৌকার বিরুদ্ধে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দু। গাজীপুরবাসীর সহযোগিতায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীকে গাজীপুরের ৫টি আসন উপহার দিতে চাই। কিন্তু আমরা কোনো চোর-বাটপারকে ভোট দিবো না।
পূর্ব থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এম এম নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ নাজিম উদ্দিন আহমেদ। অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন টঙ্গী পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এম হেলাল উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা কামাল হোসেন, আলহাজ্ব আবুল হোসেন, এডভোকেট জাকির হোসেন, টঙ্গী রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক বিজয়বাংলা টিভি ডটকম এর প্রকাশক ও সম্পাদক পীরজাদা মো: নোয়াব আলী, আজিজ রানা, রুহুল আমীন, টুটুল সরকার, মাসুম বিল্লাহ বিপ্লব, হাজী ইয়াছিন মিয়া, ওসমান গণি মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আরিফ উল্লাহ মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নাজির আহমেদ, আতাহারুল ইসলাম বাবু প্রমুখ। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করেন মাওলানা মুছা কালিমুল্লাহ। উপস্থিত সকলের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়।