শারমিন খানম :: বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের এক উজ্জল মুখ, একজন নিরলস সমাজসেবক এবং মানবিক উন্নয়নের কান্ডারি হিসেবে পরিচিত আগস্টিন পিউরিফিকেশন। তিনি আজ কেবল একটি নামই নয় এটি একটি প্রতীক, এক অনুপ্রেরণা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজের পিছিয়ে পড়া গরিব, অসহায় মানুষদের সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য, নারী-উন্নয়ন কিংবা ধর্মীয় সহাবস্থানের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে। তার নেতৃত্বে পরিচালিত একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতিবাচক সারা ফেলেছে। বিশেষ করে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন এবং মূলধারার সমাজের সাথে সমন্বয় সাধনে তার অবদান অনস্বীকার্য। ষড়যন্ত্রের স্বীকার হতে হয়েছে বহুবার, তবে সফলতা কখনোই এককভাবে আসে না। আসে চ্যালেঞ্জ, আসে প্রতিদ্বদ্বিতা। আগস্টিন পিউরিফিকেশনও এর ব্যতিক্রম নন। বিগত কয়েক বছর ধরে কিছু কুচক্রী মহল যারা তার জনপ্রিয়তা ও জনসেবা মেনে নিতে পারেনি তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভিন্ন নাম-সর্বস্ব অনলাইন পোর্টাল কিংবা ছদ্মনামে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে তার সম্মান ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল।
এই সব অপপ্রচারের লক্ষ্য একটাই তাকে সমাজের মানুষের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং তার চলমান কাজকে বাধাগ্রস্ত করা। কিন্তু সত্য কখনো চাপা থাকে না। আগস্টিন পিউরিফিকেশন তার কাজ, সততা ও জনগণের ভালোবাসা দিয়ে বারবার প্রমাণ করেছেন তিনি গুজবের উর্ধ্বে। আস্থার প্রতীক হিসেবে জনগণের পাশে থেকে কাজ করছেন। যেখানে অনেকেই সীমিত পরিসরে কাজ করে থেমে যান। কিন্তু আগস্টিন পিউরিফিকেশন সব ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণির মানুষের জন্য কাজ করছেন। তার লক্ষ্য শুধু খ্রিষ্টান সম্প্রদায় নয়, বরং বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সাথেও তার কার্যকর যোগাযোগ রয়েছে। যার মাধ্যমে বহু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। যুবসমাজকে দক্ষতা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, নারীদের আত্মনির্ভরশীলতা এবং ধর্মীয় সহনশীলতা এই তিন স্তম্ভকে কেন্দ্র করেই তিনি সমাজ পরিবর্তনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।
ভবিষ্যতের দিকে অগ্রযাত্রা সবকিছুর পরও আগস্টিন পিউরিফিকেশন ভেঙে পড়েননি। তিনি বিশ্বাস করেন, “অপপ্রচার আসবেই, কিন্তু কাজ ও সততার শক্তি সবসময় জয়ী হয়।” বর্তমানে তিনি আরও বৃহৎ পরিসরে সামাজিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন এবং নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্বে আনতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। আগস্টিন পিউরিফিকেশন প্রমাণ করেছেন যে, যদি লক্ষ্য সৎ হয় এবং মনোভাব মানবিক হয়, তবে সকল গুজব, কুৎসা ও ঈর্ষাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া যায়। তিনি কেবল খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের একজন নেতা নন বরং বাংলাদেশের সার্বিক মানবিক উন্নয়নের এক নির্ভরযোগ্য মুখ।