স্টাফ রিপোর্টার :: রাজধানী ঢাকার উত্তরা সোনারগাঁ জনপথ এলাকায় কথিত বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল আলমের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদাদাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোটা বৈষম্যবিরোধীদের আন্দোলনের মুখে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর কথিত বিএনপি নেতা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর মঞ্জু ও তার সহযোগীরা এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় এক স্যানিটারী ব্যবসায়ীর শোরুমের দরজা ইটের গাঁথুনি দিয়ে বন্ধ করে দেয়। এতে ওই এলাকার ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশী কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাওয়ায় ভোক্তভূগিরা থানা পুলিশের সহায়তা নিতে পারছেন না।
ভূক্তভোগি ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিন যাবত ঢাকার উত্তরা সোনারগাঁ জনপথ এলাকায় সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। কেউ আমাদের কাছে কোনোপ্রকার চাঁদা দাবি করেনি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর উত্তরা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির স্বঘোষিত সভাপতি ও কথিত বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল আলম ও তার সহযোগী সোহেল, পারভেজ চৌধুরী, মিলন, নজরুল ইসলাম, মহসিন ব্যবসায়ীদের শোরুম ও দোকানে গিয়ে বিভিন্ন হুমকি ধমকি শুরু করেন। আজ সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফোন করে সোনারগাঁ জনপথ এলাকার মুসলিম রেষ্টুরেন্টের মালিক খোকন মৃধার কাছে ৩০লাখ টাকা, মেসার্স ঈগল এজেন্সির মালিক মোহাম্মদ রাকিবের কাছে ৩০ লাখ টাকা, বেঙ্গল মোজাইক এন্ড স্যানিটারীর মালিক গিয়াস উদ্দিনের কাছে মোটা অংকের টাকার চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত চাঁদা না দিলে তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। এদিকে হোটেল ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামের কাছ থেকে এই চক্রটি ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের দাবিকৃত চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় বেঙ্গল মোজাইক এন্ড স্যানিটারীর শোরুমের দরজা ইটের গাথুঁনি দিয়ে বন্ধ করে দেয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মঞ্জুরুল আলম বলেন, আমি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি। আমি কারো কাছে চাঁদা চাইনি। একটি কুচক্রী মহল আমাকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে। বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে আমার সুনাম ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র করছে।