September 2, 2026, 1:33 pm

উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযান, হয়রানি-ঘুষের অভিযোগ

Reporter Name
  • আপডেট Wednesday, September 2, 2026
  • 9 জন দেখেছে

এস.এম বিজয় চৌধুরী, উত্তরা প্রতিনিধি:: পাসপোর্ট গ্রহীতাদের হয়রানি, ঘুষ গ্রহণ ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর উত্তর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার সকালে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সংস্থাটির এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান শুরু করে।
দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উত্তর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে পাওয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট টিম সেখানে অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ গ্রহীতাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা, নির্ধারিত সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং ঘুষের মাধ্যমে দ্রুত পাসপোর্টের কাজ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রমে আর্থিক অনিয়ম ও নিয়মবহির্ভূত লেনদেনের অভিযোগও পেয়েছে দুদক।
অভিযোগ রয়েছে, পাসপোর্টের আবেদন, তথ্য সংশোধন, ছবি ও বায়োমেট্রিক গ্রহণসহ বিভিন্ন ধাপে গ্রহীতাদের নানা অজুহাতে হয়রানি করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া এবং টাকা দিলে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতেই আজকের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানে দুদকের কর্মকর্তারা অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলছেন এবং সেবা নিতে আসা গ্রহীতাদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ছয় মাস পর সংস্থাটির মাঠপর্যায়ের দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম আবার দৃশ্যমান হচ্ছে। নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি দুদকের প্রথম এনফোর্সমেন্ট অভিযান। ফলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কমিশনের বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে বিষয়টি অনুসন্ধান বা তদন্তের জন্য কমিশনের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হতে পারে।
এনফোর্সমেন্ট অভিযান সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগের তাৎক্ষণিক সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালনা করে দুদক। অভিযানের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য ও নথি পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হয়।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর