স্টাফ রিপোর্টার : টঙ্গীর রেল ক্রচিং ২৯৮ বাই ৭,৮ এর দাগে একটি স্কুলের নামে দীর্ঘ ১৮ বছর অবৈধভাবে রেলের জমি দখল করে স্কুল ও স্কুলের বিদ্যুৎ ও পানির গ্যাস ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে স্কুল কর্তৃপক্ষের নামে। শুধু তাই নয় উক্ত স্কুলে রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে অনেক অসামাজিক কর্মকান্ড চলছে প্রতিনিয়ত বলেন এলাকাবাসী। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বেরিয়ে আসে উক্ত টঙ্গী রেলওয়ে শিশু নিকেতনের নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের থলের বিড়াল।
সাবেক ৩১০ সংরক্ষিত মহিলা আসনে ছিলেন শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, তিনি উক্ত স্কুলটি পরিচালনা করতেন, দীর্ঘ ১৮ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতার অপব্যবহার করে উক্ত স্কুল অবৈধভাবে জমি দখল নিয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা ও স্কুলের বিদ্যুৎ ও পানির বিল দীর্ঘ বছর না দেওয়াই রাজস্ব ফাকি দিয়েছে উক্ত স্কুলের কমিটি গন। সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানান, রেল কর্তৃপক্ষের বিদ্যুৎ বিভাগের শাখায়াত হোসাইন, দীর্ঘ ১৮ বছর কিভাবে তারা বিদ্যুতের বিল দেয় নি এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নাই আমি এখন জানতে পেরেছি, আমি অবশ্যই আইনের মধ্যে থেকে বিদ্যুতের বিষয়ে কর্তৃপক্ষদের জানাবো।
তিনি আরো বলেন ,দীর্ঘ 18 বছর অবৈধভাবে রেলের জমি দখল করে বিদ্যুতের বিল ও পানির বিল দেননি স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হ্যাপি ম্যাডামের কাছে জানতে ,চাইলে ,তিনি ব্যবহৃত মুঠোফোন রিসিভ করেননি। সহকারি নির্বাহী পরিচালক কমলাপুর ঢাকা প্রশাসন ভবন মেহেদী হাসান তারিখ সাহেব জানান, এ বিষয় আমার না ,এ বিষয় হচ্ছে প্রকৌশলী বিভাগ বিদ্যুৎ বিভাগের।
বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজ জিনাত জানান, ব্যবস্থা নিচ্ছি। বর্তমানে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করায় রেল কর্তৃপক্ষ শাখায়াত হোসেন বিদ্যুৎ বিভাগের উক্ত স্কুলের লাইন কেটে দেওয়াতে এলাকায় চাঞ্চলের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছেন, ৪৪ নং ওয়ার্ড জলিল সাহেব এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি আওয়ামী লীগ না, আমি বিএনপি না, আমি বুঝি অনৈতিক হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। রেল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ, রেলের পাশ ঘেঁষে স্কুল নির্মাণ এবং উক্ত স্কুলের পরিচয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি ।এর লাগাম ধরবে কে।