স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গলা কেটে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নেশার টাকার জন্য এই হত্যকাণ্ড বলে আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গাজীপুর মহানগর এলাকার টঙ্গী পূর্ব থানাধীন পাগাড় ফরিদ খান রোডের খালি জায়গা থেকে শুক্রবার সকাল ৭ টায় মোশারফ করিমের (২৫) গলাকাটা লাশ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
মামলার পর টঙ্গী পূর্ব থানা, জিএমপি, গাজীপুর এর নেতৃত্বে টঙ্গী পূর্ব থানা, গাছা থানা, পূবাইল থানা এবং ডিএমপি ঢাকার খিলগাঁও থানা যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, ময়মনসিংহ জেলার কতোয়ালী থানার অষ্টধার কুড়ারাকান্দা গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ সোহেল মিয়া (২২), গাজীপুর মহানগরের পূবাইল থানার হারবাইদ গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে জুনায়েদ হোসেন ওরফে জুনু (১৯), ময়মনসংসিংহ জেলার নান্দাইল থানার কড়ইকান্দি গ্রামের হারিছ উদ্দিনের ছেলে মোঃ হৃদয় (২১), টঙ্গীর পাগার এলাকার শহিদুল ইসরঅমের ছেলে মোঃ রাসেল উরফে বাবু (২৬),রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দ থানার হামিদের টেক গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে মোঃ রোমান (১৮)। তারা সবাই টঙ্গী এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিম মোশারফ করিমকে (২৫) জবাই করে হত্যার কথা স্বিকার করেছে। হত্যার পর তারা অটো রিক্সা ছিনিয়ে নিয়ে পাগাড় সোসাইটি মাঠ এলাকা হতে বাবুর গ্যারেজে বিক্রি করে দেয়। পরবর্তীতে মোঃ রাসেল ওরফে বাবুর গ্যারেজ থেকে অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, নেশার টাকার জন্য গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মামলাটি তদন্তাধীন। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে বিস্তারিত জানানো হবে।