এস এম বিজয় চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার, উত্তরা :: রাজধানীর উত্তরায় র্যাব পরিচয়ে কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত গাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মুহিদুল ইসলাম।
তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত গাড়ির নাম্বার ধরে চাঞ্চল্যকর এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। পুরো ঘটনার বিস্তারিত তথ্য আজ ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৪ জুন) সকালে উত্তরা ১৩নং সেক্টরের ১২নং রোডে ‘নগদ’ ডিস্ট্রিবিউটর অফিসের এমডি আব্দুল খালেক নয়নের বাসা থেকে দুটি মোটরসাইকেলে করে ১ কোটি ১৮ লাখ ৭১ হাজার টাকা নিয়ে রওনা দেন চারজন। কিন্তু উত্তরা ১৩সেক্টরের ১৩নং রোডের ৩৭নং বাসার সামনে পৌঁছলে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া কালো রঙের হাইস গাড়ি দুটি মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে। পরে র্যাব পরিচয়ে ও র্যাবের কালো কটি পরিহিত ৮ থেকে ১০ জন অস্ত্রের মুখে চারজনকে জিম্মি করে ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
অনেকটা ফিল্মি স্টাইলেই কালো কাপড়ে ছিনতাইকারীদের মুখ ছিল ঢাকা। অস্ত্রের মুখে তিনজনকে টাকার ব্যাগসহ গাড়িতে ওঠানো হয়। একজন দৌড়ে পালাতে সক্ষম হন।
উত্তরার নগদের ডিস্ট্রিবিউটরের অফিস সূত্রে জানা যায়, ওই দিন ছিনতাই হয়েছে তুরাগ ও উত্তরা ডিস্ট্রিবিউটর অফিসের টাকা। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ ছাড়াও তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা মেট্রো-উত্তর ও পুলিশের এলিট ফোর্স র্যাব।
এ ছিনতাইয়ের ঘটনায় মোট পাঁচজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে রয়েছেন নগদের উত্তরা ডিস্ট্রিবিউটর অফিসের ম্যানেজার রিয়াজুল ইসলাম, সুপারভাইজার সঞ্জয় কুমার, ওমর আহমেদ ও তুরাগ অফিসের ম্যানেজার মাসুদুর রহমান। অন্যদিকে মামলার বাদী আব্দুর রহমানকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ডিবি পুলিশ।