July 9, 2026, 3:51 pm

ঈদকে সামনে রেখে গাজীপুরে মার্কেটগুলোতে বাড়ছে কেনাবেচা

Reporter Name
  • আপডেট Thursday, March 20, 2025
  • 76 জন দেখেছে

মো: মুর্শিকুল আলম, গাজীপুর : ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিপণিবিতানগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠেছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করছেন বিক্রেতারা, তবে পোশাকের দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। ক্রেতারা বলছেন, ব্র্যান্ডের শো-রুমের থেকে মিশ্র পোশাকের দোকানে কোয়ালিটি অনুযায়ী সবকিছুর দাম অনেক বেশি।
সানজিদা নামের এক নারী বলেন, গত ২-৩ বছরে অনেক ব্র্যান্ডের পোশাকের মার্কেটে এসেছে। এসব পোশাকের দর আগে থেকেই নির্ধারণ করা থাকে। তবে এর বাইরে যে সব পোশাকের দোকান রয়েছে সেগুলো ঈদ কেন্দ্রিক জমে ওঠে। এসব দোকানে ঈদের সময় নতুন পোশাকের সমারোহ থাকে বলে ক্রেতারাও আগ্রহী থাকেন। তবে এ সব দোকানে কোয়ালিটি অনুযায়ী পোশাকের দর এবার অনেক বেশি মনে হচ্ছে।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের জয়দেবপু, বাসন, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কালিয়াকৈর, কালিগঞ্জ, গাজীপুর সদরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। পরিবারের সবচেয়ে ছোট সদস্য ও প্রবীণ সদস্যদেরও নিয়ে এসেছেন কেউ কেউ। মার্কেটগুলোর বিপণি-বিতানগুলোতেও উল্লেখযোগ্য হারে ক্রেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিদিনই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়ছে। ক্রেতাদের এমন ভিড়ে খুশি ব্যবসায়ীরা।
এবারের ঈদে বাজারে নারীদের পোশাকের মধ্যে সব থেকে বেশি বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় অরগেনজা, মেঘা, চান্দ্রিয়া, জয়পুরী ও পাকিস্তানি সারারা গারারা। এছাড়াও চাহিদা রয়েছে কাতান, বাড়িস, কারচুপি, বালাহার, মটকা ও কাশ্মীর কাতান থ্রি পিসের।
অপরদিকে শাড়ির মধ্যে বেশি বিক্রি হচ্ছে, বি প্লাস খাড্ডি বেনারসি, চেন্নাই সিল্ক, বুটিক, ক্রেসপি, মান্দানি ও জামদানি। ছেলেদের পাঞ্জাবি, টুপি এবং প্যান্টও বিক্রি হচ্ছে সমহারে। এ ছাড়া কসমেটিক্স পণ্যের চাহিদাও কম নয়।
ক্রেতা শারমিন আক্তার বলেন, পরিবার-পরিজন এবং আত্মীয় স্বজনদের জন্য কেনাকাটা করছি। রোজা রেখে সবার জন্য কেনাকাটা করতে একটু ক্লান্ত হলেও এতে বিশেষ ধরনের শান্তি রয়েছে।
দোকানদারা বলছেন, দর নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে বাহাজ হওয়াটা স্বাভাবিক। আমরা বেশি দামে পোশাক সরবরাহ করলে বাজারে তার প্রভাব পড়বেই। তবে পোশাকের কোয়ালিটির ওপর দাম অনেকটা নির্ভর করে। বাজারে বর্তমানে কম দামের পোশাকও আছে, বেশি দামেরও আছে। ক্রেতাদের মধ্যে আধুনিক নিত্য-নতুন ও বিভিন্ন ডিজাইনের দেশি-বিদেশি শাড়ির চাহিদা রয়েছে। আসা করি রমজানের শেষ সপ্তাহে বেচাকেনা আরও বাড়বে।
এদিকে ছোট-বড় মার্কেট ও শপিংমলগুলোর ভেতরে পোশাকের সমাহার আর বাইরে রং-বেরঙের বাতি। আধুনিক দেশি পোশাক ও বিদেশ থেকে আনা নিত্য নতুন কালেকশন দিয়ে পসরা সাজিয়েছে ফ্যাশন হাউজ ও মার্কেটগুলো। গৃহকর্তারা পরিবার পরিজন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কেনাকাটায়। চলছে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাক। এ ছাড়াও জুতার দোকানগুলোতে চলছে কেনাকাটা। পোশাক তৈরি করা টেইলার্সগুলোতে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বড় বড় টেইলার্সগুলোতে অর্ডার নেওয়া প্রায় বন্ধের পথে।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর