ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জের গালাহার গ্রামের আচার বিক্রেতার একমাত্র সম্বল দশ শতাংশ জমিতে সাগর কলার বাগানের আড়াই শত গাছ শুক্রবার রাতের আধারে কেটে ফেলেছে দুবৃত্তরা।আজ শনিবার দুপুরে আচার বিক্রেতা শহিদুল্লাহ’র প্রতিকার ছেয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সরেজমিন শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল গালাহার গিয়ে দেখাযায় বাগানের সবগুলো কলা গাছ কেটে মাটিতে ফেলে রেখেছে। আশপাশের নারী পুরুষ এ দৃশ্য দেখার জন্য ভীর করছেন। বাগান মালিক শহিদুল্লাহ আক্ষেপ করে জানান, শনিবার ভোরে প্রতিবেশি চাচি সোলেমা আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে বলে তুমার বাগানের সব কলা গাছ কেটে ফেলেছে। এ কথা শুনা মাত্রই দৌড়ে ঘর থেকে বেড়িয়ে কলা বাগানে গিয়ে দেখি সব গাছ কেটে ফেলেছে। এ ব্যাপারে শহিদুল্লার সাথে কথা হলে তিনি জানান, সংসারে ছেলে-মেয়েদের মুখে দু’বেলা খাবার জোগাতে রাতের না ঘুমিয়ে বাড়ি ঘর ছেড়ে ৩ চার বছর ধরে ঢাকায় আচাড় বিক্রি করে দিন পারি দিচ্ছি। আমার মাথার গাম পায়ে ফেলে এ কষ্টের উর্পাজিত অর্থ দিয়ে পরিবার পরিজনের ভরণ পোষন চালিয়ে কিছু সঞ্চয় করেছিলাম। আর সেই কষ্টের অজিত টাকা দিয়ে আমি এ কলার বাগানে কলাগাছ লাগাই। আশাছিল বাগানের কলা বিক্রি করে লাভ ভান হবো। কিন্তু আমার সে স্বপ্ন ধ্বংশ করে দিল রাতের আধারে দুবৃত্তরা। শহিদুল্লার বাগানটিতে দুবৃত্তরা ছড়িসহ ৮০ টি ও বাকি ১৭০টি গাছ কেটে ফেলে রাখে।বাগানের পার্শে থাকা প্রতিবেশী আসরাফ উদ্দিন ,মোমেনা,শান্ত লিটন,সাদ্দাম,রায়হান বলেন, একজনের সঙ্গে আরেকজনের শত্রুতা থাকতেই পারে, তবে ফসলের সঙ্গে কেন? এমন ঘটনা যারা করেছে আমরা তাদের দৃষ্টান্ত মূলক বিচার দাবি করছি। শহিদুল্লাহ প্রতিনিধিকে বলেন আমার বাগানের যারা কলা গাছ কাটছে আমি তাদের সঠিক বিচার চাই। ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্য মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, কলা বাগানের মালিক শহীদুল্লার একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।