আওয়ামীলীগ সরকার দীর্ঘ ১৫ বছর দেশ শাসন করেছেন। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে নেতাকর্মীদের পদভারে মুখরিত ছিল দলীয় অফিসটি। রাত দিন বিভিন্ন কর্মসূচিতে ছিল জমজমাট। নেতাকর্মীদের আরাম আয়েসের জন্য রাখা হয়েছিল নামি-দামি খাট। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর ওই অফিসটিতে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করে। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত দলীয় কোন নেতাকর্মী ওই অফিসে যাননি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অগ্নিসংযোগের পর অবশিষ্ট যে স্থাপনা রয়েছে তার মধ্যে মাদকসেবীরা শুয়ে শুয়ে মাদক সেবন করছে। এই অফিসটি এখন মাদকসেবীদের দখলে। অফিসের ফ্লোরে মাদকসেবীরা নিশ্চিন্তে বসে ও শুয়ে মাদক সেবন করে। কিন্তু কোনো সাংবাদিক দেখলে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে টঙ্গী আওয়ামী লীগ অফিস ছিল জমজমাট। সারা দিন নেতাকর্মীরা আসা-যাওয়া করতেন। সন্ধ্যা হলেই আসতেন বড় নেতারা। সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও আজমত উল্লাহ খানের মতো বড় নেতারা কম আসতেন। সব সময় অফিস নিয়ন্ত্রণ করতেন রাসেলের চাচা গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মতিউর রহমান মতি।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কায়সার আহমেদ বলেন, পুলিশ সব সময় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছে। আওয়ামীলীগের অফিসে মাদক সেবন করার বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ যদি মাদক সেবন করে থাকে তাহলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।