July 9, 2026, 7:32 pm

মানবাধিকার লংঘনের ঘটনার বিচারে ৫ সুপারিশ

Reporter Name
  • আপডেট Saturday, September 14, 2024
  • 76 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বিগত ১৭ বছরে সংঘঠিত মানবাধিকার লংঘনজনিত সকল ঘটনার সুষ্ঠু তথ্যানুসন্ধান এবং নির্যাতিত ব্যক্তির ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা ৫দফা সুপারিশ তুলে ধরে তা বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। আজ শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্র আয়োজিত ‘গণতন্ত্র, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার’ শীর্ষক জাতীয় মানবাধিকার সংলাপে এসব সুপারিশ তুলে ধরা হয়। সুপারিশে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিবর্গের পরিবারকে অতি দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পূর্নবাসন এবং আহতদের সুচিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ ও পূর্নবাসন করতে হবে।
জাতীয় মানবাধিকার কামিশনকে সংস্কার করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তথ্যানুসন্ধান করতে হবে। মানবাধিকার লংঘনের শিকার ভূক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে জাতীয় আইন সহায়তা বাজেট থেকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে আইনগত সহযোগিতা দিতে হবে। গণতন্ত্র, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের স্বার্থে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইন-শৃঙ্খলায় নিয়োজিত বাহিনীর জন্য মানবাধিকার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘স্বৈরাচার হাসিনা সরকার সারা দেশে গুম, খুন, হত্যা-নির্যাতনের মাধ্যমে জনজীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছিল।
দুর্নীতি ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত সকলেই ছিল তার ছত্রছায়ায়। এমনকি তিনি জোর গলায় বলতেন তার পিওনও ৪০০ কোটি টাকার মালিক। দেশের একক কর্তৃত্ব চলে গিয়েছিল শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের হাতে।’ এ সময় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশের প্রতিটি সেক্টরে অর্ন্তভূক্তিমুলক গণতন্ত্র, সুশাষন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে মানবাধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের মহাসচিব মাহবুল হক বলেন, ‘রাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা খুবই দূর্বল ব্যবস্থাপনায় চলছে। এই খাত উন্নত করতে হবে। আন্দোলনে আহতদের মধ্যে কারো হাত, কারো পা কেটে ফেলতে হয়েছে, কারো আবার দুই পা কেটে ফেলতে হয়েছে। অনেকেই পুলিশের দ্বারা নির্যাতন ও হত্যার শিকার হয়েছে। এই ঘৃণ্য অপরাধের জন্য দায়ি পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পূর্ণগঠনে একটি সুনির্দ্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের সঞ্চালনায় সংলাপে আরো বক্তৃতা করেন কাউন্টার পার্ট ইন্টারন্যাশানালের চিফ অফ পার্টি কেটি ক্রোক, আমার বাংলাদেশ পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, গবেষক ও উন্নয়নকর্মী আমিনুর রসুল, লিডোর নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ হোসেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব প্রমূখ।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর