এস.এম বিজয় চৌধুরী, স্টাফ রিপোর্টার, উত্তরা :: রাজধানীর উত্তরায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে উত্তরার বিএনএস সেন্টার এলাকায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিএনএস সেন্টারের সামনে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা বেলা ১১টা থেকে অবস্থান করেন। তারা বলেন- আন্দোলনকারীরা বিএনএস সেন্টার এলাকায় জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছিল। আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি। এ সময় আমাদের সঙ্গে ছাত্রদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে। সেই সঙ্গে কয়েকজনকে ধরে পুলিশের কাছে দিয়েছি।
উত্তরার আজমপুর আমির কমপ্লেক্সের সামনে ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিব হাসানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও জড়ো হন। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জয়নাল আবেদিন, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ডিএম শামিম, দক্ষিণখান ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম তোফাজ্জল হোসেনসহ বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা আজকে পালিয়ে গেছে। আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরা রয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- বঙ্গবন্ধুর সৈনিকেরা রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দেবেন। তার নির্দেশেই আমরা রাজপথে থেকে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি।’
আন্দোলন প্রসঙ্গে উত্তরা জোনের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) সুমন কর বলেন, ‘আমি বিএনএস সেন্টারের সামনে ও পেছনে তল্লাশি চালিয়ে ৪/৫ জনকে আটক করেছি।