July 9, 2026, 7:38 pm

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে ফিরেছে দেশের স্বয়ংসম্পূর্ণতা : উপাচার্য ড. মশিউর

Reporter Name
  • আপডেট Friday, May 17, 2024
  • 116 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে ফিরে এসেছে বাংলাদেশের স্বয়ংসম্পূর্ণতা। তাঁর প্রত্যাবর্তন ছিল একটি জাগরণ।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে ‘তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই’ শীর্ষক সেমিনারে এ মন্তব্য করেন উপাচার্য।
উপাচার্য মশিউর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধু কন্যার ফিরে আসার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ শক্তিশালী হয়েছে। তাঁর প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে চার মূলনীতির পথে পথে আমরা হাঁটছি। তার প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে মানবিকতার সঙ্গে সেই পথে হাঁটছি। ভেবে দেখুন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে জেনারেল জিয়ার যেমন হাত ছিল ঠিক একইভাবে শেখ হাসিনা যখন একের পর এক দুর্দমনীয় গতিতে কাজ করে যাচ্ছিলেন আবার সেই আগস্টে ২১ আগস্ট তারই সন্তান আরেকটি দিন বেছে নিয়েছিল শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ, বাংলাদেশ সৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধুর যে অনবদ্য ভূমিকা সে কারণে এদেশের মানুষ মনে করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং তার দু’কন্যাকে আগলে ধরে বাংলাদেশকে সুউচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব। সেকারণেই জঙ্গিবাদ আসে সেটি নির্মূল হয়। অপশক্তি, অপসংস্কৃতি আসে সেটি নির্মূল হয়। বিশ্বব্যাংক অযৌক্তিক ধারায় এগোয় আবার থেমে যায়। সেকারণেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রের লেসন দিতে চায় তারাই আবার পিছু হটে। এর কারণ শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাংলাদেশের দৃঢ়তা। শেখ হাসিনা ফিরে আসার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন প্রাণশক্তি খুঁজে পেয়েছে। আমরা একে একে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে চাই। আমরা এমন পুঁজিবাদী রাষ্ট্র হতে চাই না যারা মাদক এবং অস্ত্রের ব্যবসা করবে। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপূর্ব এক মানবিক বাংলাদেশ হতে চাই।
উপাচার্য ড. মশিউর রহমান আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে আসার পর যখন দেখেছেন ভোট এবং ভাতের অধিকারের বিপণন অবস্থা। তিনি সর্বপ্রথম আহ্বান জানালেন ভাত এবং ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের। সেই থেকে তাঁর যে যাত্রা শুরু। তারপর থেকে গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার, সামরিক শাসনের অবসান, একে একে তিনি বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করলেন, সেবা প্রদান করেছেন। এরপর ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর স্মার্ট বাংলাদেশের পথে তিনি হাঁটলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার চরিত্রের একটি বিশেষ দিক তিনি মানুষের সেবা করতে চেয়েছেন। ঠিক পিতার মত। পিতা বলেছিলেন-পৃথিবী আজ দু’ভাগে বিভক্ত শোষক আর শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে। তার প্রিয় কন্যা একই আদর্শে অবিচল। অবিচল থেকেছেন বলেই যত প্রতিরোধই আসুক না কেন তিনি তা অতিক্রম করেছেন। একারণেই আমরা পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্নিগ্ধ পরিবেশে করতে পেরেছি। কোনো বিরোধ ছাড়াই ছিটমহল সমস্যা সমাধান, সমুদ্রসীমা বিজয় করেছি। বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্র দর্শনে যে মানবিক বাংলাদেশের অঙ্গীকার ছিল সেটি ধারণ করেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। সেকারণেই মিয়ানমারের লক্ষ লক্ষ শরণার্থীকে তিনি আশ্রয় দিয়েছেন। পৃথিবীতে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস। ড. বিশ্বাস তার প্রবন্ধে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও শত বাধা সত্তে¡ও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভুঁইয়া, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম পরিচালক, দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলা ২৪ এর নির্বাহী পরিচালক মো. আফিজুর রহমান, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী প্রমুখ।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর