স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী :: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, আগামী ৭ তারিখ ভোট বিপ্লব হবে। হুমকি-ধমকি দিয়েন না। সবার স্ক্রিনশট ও মেসেজ রাখা হচ্ছে। আঘাত করলে ২৪ ঘণ্টায় নয়, ২৪ মিনিটে জবাব দেওয়া হবে। চোখ রাঙালে চোখ দেখে নেওয়া হবে। নির্বাচনের পরদিন ৮ তারিখ দেখা হবে। সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত টঙ্গীর মিল গেট, টঙ্গী বাজার, ভরান মাজার বস্তি, মধুমিতা রোড, জামাই বাজার, বউ বাজার, টঙ্গী বিসিকসহ ২০টি স্থানে গাজীপুর-২ (সদর-টঙ্গী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলিম উদ্দিন বুদ্দিনের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাহিদ আহসান রাসেলকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা আওয়ামী লীগ করেন! না, চাচা-ভাতিজা-খালা-ফুফু লীগ করেন।
টঙ্গীর মিল-কারখানাগুলো ২৩ বছর আগে শ্রমিকদের মালিকানায় দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু ২০ বছর চলে গেল, শ্রমিকরা মালিকানা পায়নি। তবে আপনি, আপনার চাচা, আর বিকম মতি (আ. লীগ নেতা মতিউর রহমান) মিলে মিল-কারখানা লুটেপুটে খাচ্ছেন। বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন সরকার ও বিএনপির কাউন্সিলর আবুল হাসেমকে সঙ্গে নিয়ে কারখানা দখল করছেন।
কারখানার মালিকের টাকা লুট করে পাগল বানিয়েছেন।’
এ সময় দুঃখ প্রকাশ করে সাবেক এই মেয়র বলেন, ‘আমাকে অন্যায়ভাবে মেয়র ও দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করিয়েছিলেন। এরপর দুই বছর গাজীপুর সিটি করপোরেশন একজন ভারপ্রাপ্তকে দিয়ে চালিয়ে লুটপাট করেছেন।’ পথসভায় তিনি আরো বলেন, ‘আমার মা মেয়র হয়েছেন। আমি এখন আওয়ামী লীগের একজন সমর্থক। আমি এখন আর ভয় পাই না। অন্যায়ের জবাব দেওয়া হবে।’
এ সময় ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলিম উদ্দিন বুদ্দিন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ করেছি, দেশ স্বাধীন করেছি। বিজয়ী হলে জাহাঙ্গীরকে সঙ্গে নিয়ে গাজীপুর ও টঙ্গীকে হানাদারমুক্ত করব।’
বিভিন্ন পথসভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার এম এম হেলাল উদ্দিন, রজব আলী, টঙ্গী থানা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আ. ছাত্তার মোল্লা, টঙ্গীর ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক কাইয়ুম মাস্টার, ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্যসচিব আবুল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আলিম, এম এ নাসিম ও মনির হোসেন প্রমুখ।