July 9, 2026, 10:21 pm

অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত

Reporter Name
  • আপডেট Monday, January 12, 2026
  • 161 জন দেখেছে

বিনোদন ডেস্ক :: ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আমরা দুজনের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল করেছি। আদালতকে বলেছি মামলার ৭৯ লাইনের বক্তব্য সাজানো ও মনগড়া।
বাদীর সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইয়ের কোনো দেখা হয়নি। হুমকি-ধামকির কোন প্রশ্নই আসে না। শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি নথিজাত করেছেন। এদিন মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত হন। এসময় মেহজাবীনের মুখে কাল মাস্ক ছিল। পরে তাদের উপস্থিতি শুনানি হয়। শুনানি শেষে তারা আদালত প্রাঙ্গণে ছেড়ে যান। এর আগে ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। পরে ১৬ নভেম্বর মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি। তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তারা বলেন এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না।তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব। এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর