জয়নাল আবেদীন, স্টাফ রিপোর্টার, টঙ্গী :: জাতীয় পার্টি সমর্থিত লাঙল প্রতীকের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন বলেছেন, আমি সেনাবাহিনীতে চাকরি করেছি। এরশাদ সাহেব আমাকে ছেলে ডাকতেন। সেই কারণে আমি তার সন্তান। গাজীপুর-২ আসনে সুষ্ঠু ভোট হলে আমি শতভাগ নিশ্চিত লাঙল মার্কার বিজয়ী হবে।
তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি সবসময় দেশের কল্যাণে কাজ করেছে। আমাদের প্রতিটি নেতাকর্মী শান্তিপ্রিয়। আমরা সহিংসতায় বিশ্বাস করি না। আর জনগণও শান্তির পক্ষে। আমি বিশ্বাস করি গাজীপুর-২ আসনের মানুষ যদি তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়, সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলে লাঙ্গল প্রতীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবে।
জয়নাল আবেদীন বলেন, দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আবারও জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় বসাতে হবে। পল্লীবন্ধু এরশাদের শাসন আমল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি সোনালী অধ্যায়। তিনি ক্ষমতায় থাকাকালে দেশ এগিয়েছিল দুর্বার গতিতে। তাঁরই উত্তরসূরী পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের নেতৃত্বে জাপা এখন সুসংগঠিত। আগামী ৭ জানুয়ারী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরিবর্তনের লক্ষ্য গাজীপুর-২ আসনে লাঙল মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।
জয়নাল আবেদীন বলেন, আমি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাথে চাকরি করেছি। ২০০০সালে আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট পদ থেকে অবসর গ্রহণ করি। আমি এরশাদের বাসায়ই বেশির ভাগ সময় থাকতাম। তিনি আমাকে ছেলের মতোই আদর করতেন। আমি টঙ্গীর স্থায়ী বাসিন্দা ও জামাই। আমার নামেই জামাইবাজার বলে মশকরা করা হয়। আওয়ামী লীগ বিরোধী ও বিএনপির ভোট সব আমি পাব দাবি করে তিনি বলেন, সুষ্ঠু ভোট হলে আমি শতভাগ নিশ্চিত বিজয়ী হব। গতকাল বুধবার টঙ্গীর জামাইবাজার, বউ বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চলাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর মহানগর যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক মো: দুলাল মৃধা, মো: আল আমিন মুন্না প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটি, মো: আমিনুল ইসলাম জাতীয় সৈনিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি, গাজীপুর মহানগর জাতীয় পার্টির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন শিকদার, মো: জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ৪৫নং ওয়ার্ড জাতীয় পার্টি, জাহাঙ্গীর আলম সরকার, সহ সভাপতি জাতীয় সৈনিক পার্টি প্রমুখ।
গাজীপুর-২ (সদর-টঙ্গী) আসনে প্রায় সাড়ে সাত লাখ ভোট রয়েছে। জাতীয় পার্টিসহ মোট ৯ জন প্রার্থী এই আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ছাড়া আওয়ামী লীগের দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। প্রতীক পেয়ে প্রার্থীরা নিজ নিজ মার্কা নিয়ে ভোটের মাঠে প্রচারণা চালাচ্ছেন।