June 1, 2026, 10:16 am

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুগ্ধ দিবস পালিত

Reporter Name
  • আপডেট Sunday, June 2, 2024
  • 92 জন দেখেছে

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: “বৈশ্মিক পুষ্টিতে দুধ অপরিহার্য” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জমকালো আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুগ্ধ দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি মেডিসিন অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্স অনুষদ (ডিভিএম) এর ডেইরি অ্যান্ড পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের আয়োজনে ও অ্যাভোন অ্যানিম্যাল হেল্থ বাংলাদেশের সহযোগিতায় একটি শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদক্ষিণ করে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের নীচে ডিভিএম এর ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র সভাপতিত্বে একটি আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ গিয়াসউদ্দীন মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ট্রেজারার প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে বশেমুরকৃবি’র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে দুধ পানে উদ্বুদ্ধ করার নিমিত্তে দুধ পান করানো হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের খামারীদের মধ্যে দুধের গুণাগুণ পরীক্ষার ফ্রি সেবা প্রদান করা হয়। আলোচনা সভার প্রাক্কালে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, যেকোন স্তন্যপায়ী চতুষ্পদ প্রাণীসহ মানব সমাজের জন্য দুধ একটি অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান। দুধে ভিটামিন সি ছাড়া সবগুলো খাদ্য উপাদান উল্লেখযোগ্য মাত্রায় উপস্থিত। পুষ্টি চাহিদা পূরণে দুগ্ধ পানে বিকল্প নেই উল্লেখ করে দুধে যাতে ভেজাল দেয়া না হয় সেজন্য প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান ভাইস-চ্যান্সেলর।
অন্যদিকে ট্রেজারার প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ দুধে মানবদেহে প্রয়োজনীয় শোষণযোগ্য ক্যালসিয়াম, আমিষ শর্করা, ভিটামিন, খনিজ, স্নেহসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজনীয়তার দিকে আলোকপাত করেন। এ আলোচনা সভায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিতিতে ডিভিএম এর ডিন, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডেইরি অ্যান্ড পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মোর্শেদুর রহমান তাঁদের সুচিন্তিত বক্তব্য প্রদান করেন। দুধের অগ্রণী ভূমিকা আগামী সোনালী সমাজ বিনির্মাণে মুখ্য হিসেবে পরিগণিত হবে যার সুখময় ফল ভোগ করবে দেশ তথা বৈশ্বিক অঙ্গন এমনটি প্রত্যাশা উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দের।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর