নিজস্ব প্রতিবেদক :: নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাসমৃদ্ধ মানুষ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। তারা বলেছেন, শুধু নিজের কিংবা পরিবারের জন্য নয়, দেশের জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ আজকের নতুন প্রজন্মই শাসন করবে। আজ রবিবার (২১ এপ্রিল) রংপুরে আরডিআরএস কার্যালয়ে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বঙ্গবন্ধু উচ্চ শিক্ষাবৃত্তির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন তারা।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আরডিআরএস বাংলাদেশ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরডিআরএস’র নির্বাহী পরিচালক তপন কুমার কর্মকার। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ)’র এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফসিউল্লাহ্, রংপুরের এডিসি জেনারেল হাবিবুল বাশার রুমি, এমআরএ’র নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ মাজেদুল হক ও আরডিআরএস’র পরিচালক তারিক সাঈদ হারুন।
অনুষ্ঠানে এমআরএ’র এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফসিউল্লাহ বলেন, ‘জাতির পিতা ২৪ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করে আমাদেরকে একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছেন। উত্তরাঞ্চলের বাতিঘরতুল্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আরডিআরএস স্বাধীনতার পর থেকেই এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।’ তিনি আগামীতে বৃত্তির চেকের সাথে বঙ্গবন্ধুর লেখা একটি করে বই উপহার দেওয়ার পরামর্শ দেন।
এডিসি জেনারেল হাবিবুল বাশার রুমি বলেন, ‘বর্তমান বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ২১০০ ডলার এবং ৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ এটা দাঁড়াবে ১২ হাজার ডলারে। স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের এ যাত্রায় ছাত্রদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।’ তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের মধ্য থেকে অন্তত ৫ জনের লেখাপড়ার শেষ পর্যন্ত শিক্ষা ব্যয়ের দায়িত্ব নেওয়া যায় কিনা, তা ভেবে দেখার জন্য আরডিআরএস-এর প্রতি আহ্বান জানান।
এমআরএ’র নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ মাজেদুল হক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- শিক্ষাখাতে বিনিয়োগের চেয়ে বড় বিনিয়োগ নেই। তাই, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের উদ্যোগ।’ বৃত্তিপ্রাপ্তরা আগামীতে দেশ ও জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।