নিজস্ব প্রতিবেদক :: রাজনীতিকে রাজনীতি দিয়ে মোকাবিলা করুন, গায়ের জোরে নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন। আজ শুক্রবার (২২ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ-এর চিকিৎসা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিশ্চিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আজকে নির্বাচন যদি বিলম্বিত হয়, নির্বাচন যদি যথাসময়ে না হয় তাহলে লাভ কাদের? লাভ হচ্ছে পলায়নকৃত স্বৈরাচারের। কাজেই যারা বুঝে অথবা না বুঝে বিভিন্ন দাবি তুলে আজকে নির্বাচনকে পিছিয়ে দিতে চান, তারা কি প্রকারান্তরে স্বৈরাচারের পক্ষে কাজ করছেন কিনা সেটি কি বিবেচনা করেছেন? আজকে যদি স্বৈরাচারের পক্ষে কাজ করেন এবং আপনাদের কর্মসূচির কারণে যদি আজকে কোনো কারণে এই দেশের নির্বাচন হবে কি হবে না এটি নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের আশঙ্কা জমে, তাহলে লাভবান হবে পলায়নকৃত স্বৈরাচার। সেটির জন্য কি আপনারা ৩৬ জুলাই করেছিলেন?
জাহিদ বলেন, যারা আজকে দেশের সংস্কারের কথা বলেন এবং দেশের সংস্কারের জন্য চিন্তা করেন, তাদের বোঝা উচিত এই প্র্যাকটিস শুরু করেছে বিএনপি। যারা এখন কথা বলছেন, এসমস্ত দায়িত্ব তারা কোনোদিন পালন করেনি। ভবিষ্যতে হয়তো করতে পারে, সেটা ভবিষ্যত বলে দেবে। কিন্তু, বিএনপি সবসময় মানুষের পাশে থাকে। মানুষের আশাকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে এবং মানুষের মৌলিক অধিকারের কথা চিন্তা করে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং সমমনা রাজনৈতিক দল যারা গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দল সবার কর্মসূচি হচ্ছে ৩১ দফা রাষ্ট্র বিনির্মাণের কর্মসূচি। এটি কিন্তু শুধু খালি বিএনপির একক কর্মসূচি নয়। এটা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য যারা রাজনীতির মাঠে ছিলেন এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন তাদের সম্মিলিত কর্মসূচির নাম ৩১ দফা।
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এড. এ এম শওকতুল হক, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরীসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।