দৈনিক বিজয়বাংলা নিউজ ডেস্ক :: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছাড়া দেশের সব মানুষ পছন্দের প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। দেশের প্রায় ১২ কোটি ভোটার নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চায়। এটা একমাত্র সম্ভব নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হলেই। কিন্তু সেটা না করে ক্ষমতাসীনদের একগুঁয়েমিতার কারণে দেশ এখন অনিবার্য সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ সোমবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে পল্টনস্থ কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দলটির মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও সংসদ ভেঙে দেওয়াই হল একমাত্র সমাধান। অথচ প্রধানমন্ত্রী গতকাল বলেছেন, ‘এ নির্বাচনে নৌকাই জিতবে। তার মানে নির্বাচনী নাটক করে ১৪, ১৮ এর মত ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও লক্ষ্মীপুর-৩ উপনির্বাচনে আবারও নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি, ব্যালট পেপারে সিল মারাসহ পেশিশক্তির প্রদর্শন করা হয়েছে। যা জাতীয় নির্বাচনের রিহার্সাল হয়েছে। দেশের মানুষকে মুক্তি ও জনগণের কষ্ট লাঘব করার জন্য সরকারকে দ্রুত পদত্যাগ করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ খন্দকার গোলাম মাওলা, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সহকারী মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম ও কৃষিবিদ আফতাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ হারুন অর রশিদ, মাওলানা নেছার উদ্দিন, আলহাজ মনির হোসেন, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, অ্যাড. শওকত আলী হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) জিএম রুহুল আমীন, সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) মাওলানা নুরুল ইসলাম আল আমিন, সহকারী অর্থ সম্পাদক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, সহকারী প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা আরিফুল ইসলাম, সহকারী দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নুরুল করীম আকরাম প্রমুখ। সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতির প্রবর্তন এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবিতে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে সরকারকে বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে পদত্যাগ করে দেশকে ভয়াবহ সংঘাত থেকে রক্ষা করার আহ্বানও জানান তারা।