নিজস্ব প্রতিবেদক :: চট্টগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর নিউমার্কেট এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহীদ ওয়াসিমের শহীদ হওয়ার স্থান ষোলশহর রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় তাঁর নামে স্মৃতিফলকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। মুক্ত আলোচনায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ফয়সল আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, দেশের ইতিহাসে এত বড় গণঅভ্যুত্থান আগে কখনো হয়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশ অপশাসনের ধারা থেকে মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানের শিক্ষা ধারণ করে অন্যায় শাসন ও অন্যায় নির্দেশনার বিরুদ্ধে জনগণের পাশে থাকতে হবে।
এদিকে নিউমার্কেট মোড়ের রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন ঐতিহাসিক আন্দোলনে চট্টগ্রামের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করেন।
পরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএম। তিনি বলেন, এই আন্দোলন কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর নয়, এটি শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্দোলন। তাই এর অর্জন রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআরইউর উদ্যোগে সংবাদপত্রের হকারদের মধ্যে উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সম্মানী সম্পাদক প্রকৌশলী খাঁন মোহাম্মদ আমিনুর রহমান সুমন। এছাড়া আইইবির কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।