July 12, 2026, 8:00 pm

চাঁদাবাজি-দখলবাজি কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

Reporter Name
  • আপডেট Sunday, July 12, 2026
  • 21 জন দেখেছে

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, তাঁর দলের কোনো নেতাকর্মী কিংবা অন্য কোনো দুর্বৃত্ত চাঁদাবাজি বা দখলবাজির সঙ্গে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম চলতে দেওয়া হবে না। এই দেশ জনগণের, সরকারও জনগণের। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য পুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর কোনো দুষ্টচক্র মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।  শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার করোটিয়াপাড়া বাজারে নলুয়া-শ্রীপুর ভায়া সালদহ বাজার সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘তারেক রহমানের সরকার ‘শাসক নয়, সেবক’-এই আদর্শ নিয়ে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন ব্যাংক প্রায় খালি ছিল। রাস্তাঘাট, সেতু ও কালভার্টের অবস্থা ছিল নাজুক। এমন পরিস্থিতিতেও তিনি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করেছেন। আগামী এক বছরের মধ্যে ২ কোটি ৪৩ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড এবং দেশের সব কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এত কার্ড দেওয়ার অর্থের উৎস কী হবে। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এখন থেকে একটি টাকাও পাচার হবে না, একটি টাকাও দুর্নীতি হবে না। আল্লাহর রহমতে মানুষের জন্য কাজ করে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি ইতিমধ্যেই তা করে দেখাচ্ছেন।
সমাবেশে স্থানীয় এক বাসিন্দা বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ে প্রশ্ন করলে মন্ত্রী বলেন, এর জন্য আগের শেখ হাসিনা সরকার দায়ী। তাঁর অভিযোগ, বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ লুটপাট হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে এবং পূর্ববর্তী সরকারের চালু করা কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। বর্তমান সরকার নতুন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে দেশে বিদ্যুতের সংকট উল্লেখযোগ্যভাবে দূর হবে।
মাদক প্রতিরোধ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, যেখানেই মাদক দেখবেন, আমাকে জানাবেন কিংবা পুলিশকে অবহিত করবেন। আমরা একটি মাদকমুক্ত দেশ গড়তে চাই। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে হবে।
প্রকৌশলী আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম, সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও বজলুর রহমান ভূঁইয়াসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন। এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর