আক্তার হোসেন ডালী:: টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। হাসপাতালে ভর্তি করালেই শুরু হয় দালাল চক্রের তৎপরতা। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরীক্ষা কিংবা ওষুধ—সবকিছুর জন্যই রোগীর স্বজনদের পাঠানো হচ্ছে হাসপাতালের বাইরে নির্দিষ্ট ফার্মেসিতে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কুকুর বা বিড়ালের কামড়ে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন পর্যন্ত হাসপাতালে পাওয়া যায় না। অথচ সরকারি হাসপাতাল হওয়া সত্ত্বেও রোগীদের বাধ্য করা হচ্ছে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনতে। এতে বাড়ছে আর্থিক চাপ, ঝুঁকিতে পড়ছে রোগীর জীবন। হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সেবাকেও একটি চক্রের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জরুরি মুহূর্তে রোগীকে জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঘটনাও নাকি নতুন নয়। সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগ—এই দালাল ও অ্যাম্বুলেন্স চক্র হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নীরব সম্মতি বা প্রশ্রয়েই দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। হাসপাতালে আসা রোগী ও স্থানীয়দের স্পষ্ট মন্তব্য, অতি শিগগিরই কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত বড় দুর্ঘটনা। এখনই প্রশাসনের নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা জরুরি। নইলে সরকারি হাসপাতালই সাধারণ মানুষের জন্য হয়ে উঠবে সবচেয়ে অনিরাপদ স্থান।