নিজস্ব প্রতিবেদক :: নৌপরিবহন ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে ২৮ ইঞ্চি দুটি ও ২৪ ইঞ্চি দুটি আধুনিক কাটার সাকশন ড্রেজার তৈরিতে সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এতে আমাদের ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে। বিদেশ থেকে এসব ড্রেজার কিনলে ব্যয় হতো প্রায় ৮০০ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, “নদীর নাব্যতা সংকট নিরসনে বালু বা পলি কাটার ড্রেজারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করে দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের দেশেই এসব ড্রেজার তৈরি করা হয়েছে।” শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের আরিচা ঘাটের অদূরে যমুনা নদীতে বিআইডব্লিউটিএ’র ড্রেজার ‘আন্ধারমানিক-১’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নৌ-উপদেষ্টা আরও বলেন, “বিশ্বের অনেক দেশের বন্দর বিদেশি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হওয়ায় তারা লাভবান হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর আধুনিকায়ন ও দেশের সকল নৌপথে বিনিয়োগ বাড়াতে বিদেশি ব্যবস্থাপনা জরুরি। আমাদের চট্টগ্রাম বন্দরেও এমন উদ্যোগ সময়ের দাবি।”
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আকাশ থেকে একটা পাখি পড়লেও আমরা তাতে রাজনীতি খুঁজি। দেশের বিভিন্ন জায়গায় নদীর পাড়ে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে। বিশেষ অভিযানের সময় বিভিন্ন দিক থেকে বাধা আসে। অভিযানে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ওপর ঢিল ছোড়া হয়, তাই আপাতত অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে। সময়মতো আবারও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।” এর আগে তিনি পাবনার নগরবাড়ি আধুনিক টার্মিনাল কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন। এ সময় বিআইডব্লিউটিএ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।