স্টাফ রিপোর্টার :: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের টঙ্গী আঞ্চলিক অফিসে উৎকোচ দিলেই হচ্ছে সেবা না দিলেই হয়রানির করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে সাধারণ মানুষ তাদের কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে টঙ্গী জোন-১ এর কার্যালয়ের কর্মকর্তা খোদেজা ও শহীদ উৎকস না দিলে কোন কাজ করছেন না। এতে নাগরিকরা চরম ভোগান্তি পড়ছেন।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, জন্মের চেয়ে নিবন্ধন করা এখন কঠিন। এই ভোগান্তির শেষ কোথায়? নানান অভিযোগে দুর্নীতির দায়ে পূর্বের রেজোয়ানা আক্তার নিশির বিচার হলেও রহস্যজনক কারণে বিচার হচ্ছে না। এখন তার সাঙ্গোপাঙ্গদের এমনই অভিযোগ নানান সেবা নিতে আসা ভুক্তভোগীদের। জন্ম নিবন্ধন কেবল একটি সনদ নয় বরং একটি জাতীয় পরিচয়পত্র যা দেশের সব বয়সেরই প্রয়োজন। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি বাধ্যতামূলক তাই সকলকে জন্ম নিবন্ধন এর জন্য ছোটাছুটি করতে হচ্ছে নানা প্রয়োজনে। এমনকি জন্ম নিবন্ধন জন্য প্রয়োজন মৃত্যুর সনদ। আর এই মৃত্যু সনদের নিবন্ধন করতে গেলে শারমিন আক্তারকে নানান ভাবে হয়রানি করেন খোদেজা ও শহীদ।
তারা মৃত ব্যক্তির ডেন্টালের সার্টিফিকেট চাচ্ছেন। এটা কিভাবে সম্ভব। এই বিষয়ে হয়রানির স্বীকার অভিযুক্ত খোদেজা ও শহীদের বিষয়ে আঞ্চলিক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর আলম এর কাছে মৌখিকভাবে জানালেও এ বিষয় তিনি কোন ব্যবস্থা করেননি। ভুক্তভোগীদের কোন কথাই তিনি গুরুত্ব দেননি । বরং তিনি তাদের সাথে আরো খারাপ ব্যবহার করেন।
গত একমাস যাবত ঘোরাঘুরি করার পরও মৃত ব্যক্তির নামে কোর্টে হলফনামা করতে গেলেও সেখানে হয়রানি করেন খোদেজা ও শহীদ।
এ বিষয়ে খোদেজা বলেন, হলফনামা বাদ এখন এই নিয়ম চলবে না। এখন ডেন্টাল এর দাঁতের ডাক্তারের পেটের কাগজ হলেই চলবে। তাহলে অতীতে হাজার হাজার জন্ম সনদে ডেন্টালের কাগজ ছাড়া হলো কিভাবে।
এ বিষয়ে খোদেজাও শহীদের কাছে জানতে চাইলে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আরশাদ সাহেবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আনিক ও জাহাঙ্গীর আলম গত কয়েকদিন আগে ভুয়া ওয়ারিসান সনদ করতে গিয়ে কোর্টে হয়রানি হয়েছেন। তাই এখন নিয়ম আর অনিয়ম সব খুঁজে খুঁজে দেখছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন একবার গাজীপুর ডিসি অফিস ও টঙ্গী। এই হয়রানির শেষ কোথায়? আমরা এই হয়রানি থেকে বাঁচতে চাই।