বীর মুক্তিযোদ্ধা ডক্টর কর্নেল (অব) অলি আহমদ বীর বিক্রম মহোদয়ের কিছু অজানা তথ্য ও বর্তমান তরুণ প্রজন্মের জানার দরকার, চন্দনেশের প্রতিষ্ঠাতা ৷এলডিপি’র সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব ড. কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ বীর বিক্রম মহোদয়।মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন অলি আহমদ বীর বিক্রম এর বীরত্বের প্রমানপত্র ( গোপনীয় নথি এসিআর) ২৫-২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল রাত্রিবেলা জাতির দূঃসময়ে তৎকালীন ক্যাপ্টেন অলি আহমদ; মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ৮ম বেঙ্গল রেজিমেন্টেকে সাথে নিয়ে সর্বপ্রথম বিদ্রোহ করেন এবং তৎকালীন মেজর জিয়াকে স্বাধীনতা ঘোষণা করার জন্য পরামর্শ দেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে তিনি এক বিরল সাহসীকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তিনি এপ্রিলের ১১ তারিখ হতে জুন মাস পর্যন্ত ৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সশস্ত্র সম্মূখ যুদ্ধে নেতৃত্বে দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একমাত্র ব্রিগেড মেজর নিযুক্ত হন। মূলতঃ ক্যাপ্টেন অলি আহমদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অন্যতম একজন প্রতিষ্ঠাতা। বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন অলি আহমদের বীরত্বের জন্য সর্বপ্রথম যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বীর বিক্রম খেতাব পান। ( সংগ্রহঃ গোপনীয় প্রতিবেদন ) এলডিপি’র সভাপতি , দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সফল যোগাযোগ মন্ত্রী, চট্টগ্রাম-১৪ ও চট্টগ্রাম-১৫ নির্বাচনী এলাকার সাবেক সফল সংসদ সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সাব-সেক্টর কমান্ডার , জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীনতা ঘোষনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী ও পরামর্শক, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতার অন্যতম একজন ড. কর্নেল অলি আহামদ বীর বিক্রম কর্ণেল (অবঃ) অলি আহমেদ (জন্ম:১৩ ই মার্চ ১৯৩৯) বীর বিক্রম বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী। ১৯৭১ সালে তিনি চট্টগ্রামে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে অংশ নেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার ওনাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করে।[১]
ড. কর্নেল (অব.)কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম জন্ম১৩ মার্চ ১৯৩৯
চট্টগ্রাম ব্রিটিশ ভারত বর্তমান বাংলাদেশ নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
বাংলাদেশ পরিচিতির কারণ
বীর মুক্তিযোদ্ধা, ডক্টর কর্নেল অলি আহাম্মেদ বীর বিক্রম দাম্পত্য সঙ্গী মমতাজ বেগম
কর্মজীবন সম্পাদনা১৯৭১ সালে অলি আহমদ কর্মরত ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে। এর অবস্থান ছিল চট্টগ্রামের ষোলশহরে। ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। প্রতিরোধযুদ্ধ শেষে ভারতে পুনরায় সংগঠিত হওয়ার পর নিয়মিত মুক্তিবাহিনীর জেড ফোর্সের অধীনে যুদ্ধ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে উন্নীত হয়ে অবসর নেন। পরে রাজনীতিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এলডিপির এর প্রেসিডেন্ট।মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা সম্পাদনা ১৯৭১ সালের ২০শে এপ্রিল অলি আহমদের নেতৃত্বে এক দল মুক্তিযোদ্ধা অবস্থান নেন চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাইয়ে। মুক্তিযোদ্ধারা সেখানে দুই ভাগে ছিলেন এবং সামনে ও পেছনে ছিল তাদের প্রতিরক্ষা। সম্ভাব্য যুদ্ধের সব ব্যবস্থা দ্রুত সম্পন্ন করে অলি আহমদ পার্শ্ববর্তী চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কে যান। তখন তিনি দেখতে পান, ফাঁকা রাস্তায় সীতাকুণ্ড থেকে তীব্র বেগে একটি জিপ আসছে। জিপে ছিলেন সিরাজুল ইসলাম এবং অন্য একজন। তারা দুজন অলি আহমেদকে জানান, পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের দেখে ফেলেছে। দুই মিনিট পর ফাঁকা রাস্তায় দেখতে পান পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি জিপ ও ট্রাকবহর আসছে এবং দুই শ গজ দূরে থেমে গুলি শুরু করে তারা। বলি আহমেদ ৫০ গজ দূরে মেশিনগান নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন দু-তিনজন সহযোদ্ধা। তার নির্দেশে তারা পাকিস্তানি বহরের একদম পেছনের গাড়ি লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। পাঁচ গজের মধ্যে এলএমজি নিয়ে পজিশনে ছিলেন তার আরেক যোদ্ধা। তিনি তাকে বলেন জিপ লক্ষ করে গুলি করতে। গজ বিশেক দূরে ছিল মর্টার দল। তারা মাঝের ট্রাক লক্ষ করে মর্টারের গোলাবর্ষণ করে। তিনি নিজে রিকোয়েললেস রাইফেল দিয়ে পাকিস্তানিদের মোকাবেলা করেন। আরআরের ছিল মাত্র দুটি গোলা। একটি আমগাছের ডালে লাগায় কোনো ক্ষতি হয়নি পাকিস্তানিদের। দ্বিতীয়টি সরাসরি আঘাত হানে ট্রাকে। খবর পেয়ে আরও পাকিস্তানি সেনা সেখানে আসে এবং যুদ্ধে যোগ দেয়। রাত ১০টা পর্যন্ত যুদ্ধ চলে। অলি আহমদ দক্ষতা ও সাহসিকতার সঙ্গে কম পরিমাণ অস্ত্র এবং সহযোদ্ধা নিয়ে পাকিস্তানিদের মোকাবিলা করেন। মু্ক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ সাহসীকতার জন্য তিনি ‘বীর বিক্রম’ উপাধীতে ভূষিত হন রাজনীতি সম্পাদনা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিয়ে ড. কর্নেল(অব) অলি আহমেদ বিএনপি গঠন করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার অন্যতম একজন ড. কর্নেল (অব) অলি আহমদ তিনি সেনাবাহিনীতে তার চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দান করেন। তখন তার আরো ৯ বছর চাকরি ছিল। এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি যোগাযোগ মন্ত্রী হন। যমুনা সেতুর কাজ তার সময়েই শুরু হয়। দীর্ঘকাল বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত থাকার পর ২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এলডিপির গঠন করেন।এব্যাপারে এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য শিক্ষানুরাগী এডভোকেট ড.আওরঙ্গজেব বেলাল প্রতিনিধি’কে বলেন এলডিপি পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক সফল মন্ত্রী কর্ণেল(অব) ড.অলি আহমদ এর দিক নির্দেশনায় আমাদের পার্টির লোকজন কাজ করছে। তিনি একজন ত্যাগী রাজনীতিবিদ।দেশ জাতীর কল্যাণে আমরা কাজ করে যাব।সকলের সহযোগিতা ও দোয়া চাই।