May 25, 2026, 3:39 pm

নৈরাজ্য চলতে থাকলে দেশে গৃহযুদ্ধ অনিবার্য: নুর

Reporter Name
  • আপডেট Friday, April 19, 2024
  • 99 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :: দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি, সড়কে মৃত্যুর মিছিল, ব্যাংকিং খাতের লুটপাটসহ চলমান নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। আজ শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ব্যাংকি খাতের লুটপাটের সঙ্গে সরকারের এমপি, মন্ত্রী, সুবিধাবাদী আমলারা জড়িত। ব্যাঙের ছাতার মতো ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। লুটপাটের জন্য একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে পরিচালনা পর্ষদে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। জনগণ টের পাচ্ছে না, সরকার ব্যাংকগুলো ফাঁকা করে ফেলেছে। সরকারি দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা নামে বেনামে শত শত কোটি টাকা লোন নিচ্ছে। এমনকি কিস্তি পরিশোধ না করে সেটাও লোন করে নিচ্ছে। এভাবে ব্যাংকগুলো লুট করছে। এই টাকা বিদেশে পাচার করছে। এ কারণেই ডলার সংকট তৈরি হচ্ছে, লুটপাটের কারণে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে।
নুরুল হক নুর বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি কেএনএফ এই সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা সৃষ্টি করেছে। সরকার বিভিন্নভাবে তাদের সহযোগিতা করেছে। এসবের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রয়েছে, ফলে ভারতের বিরুদ্ধে গিয়ে কেএনএফকে সরকার কিছু করতে পারবে না। এই নাথান বোম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় পড়েছে, ছাত্র থাকা অবস্থায় কারা তাকে সহযোগিতা করেছে, কারা পৃষ্ঠপোষকতা করেছে সেটা চিন্তা করুন। ইসরায়েলের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নাই, তাহলে ঈদের মধ্যে কীভাবে ইসরায়েলের বিমান বাংলাদেশে এলো? সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। এভাবে নৈরাজ্য চলতে থাকলে জনগণ হাতে অস্ত্র তুলে নেবে, গৃহযুদ্ধ অনিবার্য।
নিজের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে নুরুল হক বলেন, এসব গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে আমরা ভীত নই, এই সরকারের আমলে বিরোধী দলের নেতাদের নামে এমন শত শত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। জাতীয় নির্বাচনের পর এখন স্থানীয় নির্বাচনের নামে প্রহসন করছে। জাতীয় নির্বাচনের মতো বিরোধী দলগুলো স্থানীয় নির্বাচনও বর্জন করছে। আমরা সবাইকে অনুরোধ করবো ফ্যাসিবাদের সমর্থনে কেউ নির্বাচনে অংশ নেবেন না, ভোটকেন্দ্রে যাবেন না।
নুর বলেন, ভারত খেদাও আন্দোলন দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছে।ফলে আওয়ামিলীগের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।কারণ আওয়ামী লীগ জানে ভারত খেদাও আন্দোলন মানেই ভারতীয় মদদপুষ্ট আওয়ামী লীগ খেদাও আন্দোলন। তাই এখন এই আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদেরকে সরকার হয়রানি করছে।
গণঅধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি নাজিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল করিম শাকিলের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে আর বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিলউজ্জামান, আব্দুজ জাহের, সহসভাপতি বিপ্লব কুমার পোদ্দার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সহসভাপতি তারিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান প্রমুখ।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর