নিজস্ব প্রতিবেদক :: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘পাকিস্তানিরা বাঙালিদের অধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল। সেই পাকিস্তানি শাসকের প্রেতাত্মা বর্তমান বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীর কাঁধে ভর করেছে। ফলে তারাও জনগণের এসব অধিকার কেড়ে নিয়ে জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চাইছে।’ আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহাজান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, আহসান হাবীব লিংকনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট গায়েবি মামলার ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এসব কথা বলেছেন শামসুজ্জামান দুদু।
দুদু বলেন, ‘এ সরকারকে যদি বিদায় না করা হয় তাহলে বাংলাদেশকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশ থাকবে না। বাংলাদেশকে যদি সত্যিকারের বাংলাদেশ হিসেবে রাখতে হয়, তাহলে গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকারের দেশ করতে হবে। পাকিস্তানিরা আমাদের অধিকার, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করেছে। সে জন্য পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে। সেই পাকিস্তানি প্রেতাত্মা বর্তমান বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীর কাঁধে ভর করেছে।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের হুমকি দিয়ে বলেছেন, যদি ঢাকা শহরে অবরোধ হয় তাহলে মতিঝিলের মতো ঘটনা ঘটবে। আরও অনেক মন্ত্রী বলেছেন, হাত-পা ভেঙে নাকি বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেবে। আমি মনে করি তাদের এসব মন্তব্য সুস্থ চিন্তার লক্ষণ নয়। এসব ভাঙাভাঙি না করাই ভালো। নির্বাচনে গিয়ে জয়লাভ করা অথবা হেরে যাওয়া এগুলোতে দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই।’
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে দুদু বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার খুব জরুরি চিকিৎসা দরকার, সেটাও এই আওয়ামী সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। ঢাকা শহরসহ সারা বাংলাদেশের অসংখ্য নেতা-কর্মীকে এখন সাজা দেওয়া হচ্ছে। আমরা সরকারের পদত্যাগ দাবি করছি।’ সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া অন্য কোনো পন্থায় দেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলে তা স্বাভাবিক পরিবর্তন হবে না জানিয়ে দুদু আরও বলেন, ‘এটা খুব মর্মান্তিক হবে এবং এর জন্য অনেক বেশি মূল্য দিতে হবে।’ প্রতিবাদ সভায় ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও’ আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনসহ আরও সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।







