July 4, 2026, 3:12 pm

১৬ বছর মুক্তভাবে জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী পালন করতে পারিনি: টুকু

Reporter Name
  • আপডেট Tuesday, January 21, 2025
  • 62 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের স্থপতি ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। গত ১৬ বছরে সেই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী মুক্তভাবে পালন করতে পারিনি। শহীদ জিয়া একজন সৈনিক, তিনি শুধু স্বাধীনতার ঘোষকই ছিলেন না-আমি মনে করি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে পাল্টে দিয়েছিল।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি দল উপহার দিয়েছেন তা হলো-বিএনপি। যা মানুষের হৃদয়ের দল। নির্বাচনে গেলে সুষ্ঠ নির্বাচন হলেও বিএনপি জয়লাভ করে। তিনি বলেন, জিয়াউর সৈনিক ছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুদলীয় গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে রাজনৈতিক বাপে পরিনত হয়েছিলেন।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাতে সিরাজগঞ্জ শহরের পৌর ভাসানী মিলনায়তনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক এই বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলেও বেগম জিয়া, তার পরিবারসহ তৃনমুলের কোন নেতাকর্মীকে পালাতে হয়নি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ প্রতিটি নেতাকর্মী হৃদয়ে ধারন করায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দমন-পীড়ন ও নির্যাতনের স্টিম রোলার চালালেও কোনো নেতা দেশ ছাড়েনি। কিন্তু হাসিনাসহ সব ফ্যাসিস্টদের পালাতে হয়েছে। হাসিনা এতটাই নিষ্ঠুর ছিলেন যে, আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অসুস্থ অবস্থায় থাকাকালে নানা কটূক্তি করেছেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। জিয়াউর রহমান ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল উন্মুক্ত এমনকি আওয়ামীলীগকে অনুমতি দিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। হিন্দু-মুসলিমসহ সব গোত্রের মানুষের মধ্যে সাম্যতা প্রতিষ্ঠা করেছেন। মাত্র সাড়ে তিন বছর ক্ষমতা থেকে তিনি গোটা বিশ্বে বাংলাদেশের মানুষকে রাজনৈতিক পরিচয় উপহার দিয়েছেন তা হলো-বাংলাদেশী জাতীয়বাদী। যেখানে মুসলিম, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ও চাকমা সবাই বাংলাদেশি। দেশের মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থান ও গার্মেন্টস সেক্টরের পোশাক রপ্তানির ব্যবস্থা করেছেন শহীদ জিয়াউর রহমান। আরাফাত ময়দানে গাছ লাগিয়ে আরাফাত ময়দানকে সবুজ শ্যামল করে তুলেছেন, যা আরববাসী কল্পনাও করতে পারেনি।
জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান দুলাল, ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস, নাজমুল হাসান তালুকদার রানা, যুগ্ম সম্পাদক ভিপি শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ সুইট, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব টি. এম শাহাদত হোসেন ঠান্ডু, শহর বিএনপির সভাপতি সেলিম ভুইয়া, সাধারন সম্পাদক মুন্সী জাহিদ আলম, যুবদলের সভাপতি মির্জা বাবু, সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদ, ছাত্রদলের সভাপতি জোনায়েদ আহমেদ সবুজ, সম্পাদক সেরাজুল ইসলাম সেরাজসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতারা|

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর