শারমিন খানম:: গাজীপুর-২ (সদর-টঙ্গী) আসনে ১২ জন প্রার্থী থাকলেও মাঠে নেই ৭ জন। বাকী ৫ জনের মধ্যে নিয়মিত প্রচারণা করছেন তিন প্রার্থী।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এই আসনে প্রতীক নিয়ে মাঠে থাকার কথা ১২ প্রার্থী। তারা হলেন, এম মঞ্জুরুল করিম রনি (বিএনপি), আলী নাসের খান (এনসিপি), সরকার তাছলিমা আফরোজ লিটা (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ), ব্যারিস্টার আব্বাস খান (এবি পার্টি), অ্যাডভোকেটে জিয়াউল কবীর খোকন (সিপিবি), হানিফ সরকার (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), আব্দুল কাইয়ুম (বাসদ), মাহবুব আলম (জাতীয় পার্টি), মাসুদ রেজা (মার্কসবাদী), আতিকুল ইসলাম (গণফ্রন্ট), মাহফুজুর রহমান (গণঅধিকার পরিষদ) ও মো. শরিফুল ইসলাম (জনতার দল)। এর মধ্যে বিএনপি, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাসদ ও গণফ্রন্ট প্রচারণায় আছে। তবে নিয়মিত প্রচারণা করছেন বিএনপি, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
গাজীপুর-২ আসন জিসিসির ১৯-৩৯ ওয়ার্ড ও ৪৩ থেকে ৫৭নং ওয়ার্ড (টঙ্গী) এবং ক্যান্টনম্যান্ট এলাকা নিয়ে গঠিত। দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটার অধ্যুষিত আসন এটি। পৌনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন ভোটার এখানে। এই আসন সব সময়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। টঙ্গী ও গাজীপুর শহর নিয়ে গঠিত এ আসনটি শিল্পাঞ্চল ও ঢাকার প্রবেশদ্বার। দীর্ঘদিন ধরে এটি ছিল আওয়ামী লীগের দখলে।
টানা চারবার এখানে বিজয়ী হয়েছেন জাহিদ আহসান রাসেল। তবে ১৯৯১ সালে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপির অধ্যাপক এম এ মান্নান। এবার আওয়ামী লীগ না থাকায় নির্বাচনের হিসাব হবে ভিন্ন। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বসে পড়ায় এবং জামায়াতের দলীয় প্রার্থী না থাকায় হিসাব অনেকটা পাল্টে গেছে। এ আসনে টঙ্গীর সরকার পরিবারের একটা প্রভাব রয়েছে।
বিএনপি প্রার্থী গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র ও সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত অধ্যাপক এম এ মান্নানের ছেলে। তিনি মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। বিভিন্ন কারণে তিনি এখন ভোটের মাঠে সুবিধাজনক অবস্থানে।
এম মঞ্জুরুল করিম রনি বলেন, আমি ভোটারদের উদ্দেশে বলতে চাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাই মিলে ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং ধানের শীষে ভোট দেবেন। আমরা চাই অনেক প্রার্থী থাকবে এবং একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে।
এনসিপির প্রার্থী আলী নাসের খান বলেন, আশা করছি গাজীপুর-২ আসন জোটের পক্ষ হতে শাপলা কলি জয়যুক্ত হবে। ২৪-এর গণ অভ্যুত্থানের পর আমরা সুষ্ঠু একটি নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি। শহীদদের উত্তরসূরি হিসেবে আমাদের এখনো অনেক কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। আশা করছি ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণ আমাদের ভোট দেবে।