স্টাফ রিপোর্টারঃ দক্ষ সংগঠক তৃনমুল উঠে আসা রাজপথের সাহসী সৈনিক, গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিনকে দল থেকে বহিস্কার করায় গাছা থানার অন্তর্গত এলাকার স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশার ছাপ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উক্ত বহিস্কার আদেশের বিরুদ্ধে লেখা লেখি করছে তৃনমুল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। জানা গেছে, গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্যাডে দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এড. রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক আদেশে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অপরাধে গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিনকে দল থেকে বহিস্কারের চিঠি সামাজিক যোগাযোগে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা দেয় চরম হতাশা। স্থানীয় নেতাকর্মীরা উক্ত বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহারের জন্য জোড়ালো ভাবে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আকুল আবেদন করেন। গাছা থানা বিএনপির প্রশিক্ষন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আশরাফ মন্ডল সামাজিক যোগাযোগে লিখেছেন, মোঃ কামাল উদ্দিন ভাই একজন ভাল মনের লোক, কর্মী বান্ধব লোক, তার জন্য দোয়া রইল। মোঃ নুরে আলম তার সামাজিক যোগাযোগে লিখেছেন, যখন দলের দুর্দিন সেই সময় রাজপথে এমন শত শত কর্মসুচি পালনে নেতৃত্ব দিয়েছেন কামাল উদ্দিন, দলকে করেছেন সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী, যার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিল গাছা থানা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, সেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল, ওলামাদল। আন্দোলন সংগ্রামে যার ভুমিকা ছিল অসাধারণ, যার জন্ম এই গাছার মাটিতে, সেই গাছার মাটিতে কামাল উদ্দিনের নেতৃত্ব আমরা চাই। বিএনপির আরেক কর্মী মোঃ শাহদত গাজী সামাজিক যোগাযোগে লিখেছেন, মো: কামাল উদ্দিন বিএনপির নিবেদিত প্রান এক দিনে তৈরি হয় নাই, সাবেক গাছা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, সাবেক গাজীপুর সদর থানা ছাত্র দলের যুগ্মসচিব, সাবেক টঙ্গী কলেজ ছাত্র দলের সিনিয়র সহ সভাপতি, সাবেক গাজীপুর মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি, সাবেক গাছা থানা যুবদলের আহ্বায়ক, সর্বশেষ গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। গাছা থানা বিএনপির রাজনিতীতে মো: কামাল উদ্দিন ভাইয়ের প্রয়োজন অপরিহার্য। ৩৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক মাসুম হোসেন সামাজিক যোগাযোগে লিখেছেন, একজন কামাল উদ্দিন… ১৯৯০-১৯৯১ থেকে ছাত্র রাজনীতি দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল((বিএনপি)’র সাথে সংপৃক্ত হোন। গাজীপুরের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক এম এ মান্নান স্যারের একনিষ্ঠ ভ্যানগার্ড হিসেবে গাজীপুরে সুনাম ছড়িয়ে পড়ে… গাজীপুরের বোর্ড বাজারের সম্ভ্রান্ত অভিজাত পরিবারের সন্তান কামাল উদ্দিন ভাই, বোর্ডবাজারের কামাল নামেই বেশি পরিচিত… একজন নিরহংকার ধর্মভীরু মানুষ..মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাড়ানো তার পারিবারিক ঐতিহ্য এবং শিক্ষা। এক নজরে কামাল উদ্দিন ভাইয়ের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পদ পদবী: সাবেক সভাপতি, সাবেক গাছা ইউনিয়ন (বর্তমান গাছামেট্রো থানা) ছাত্রদল। সাবেক আহবায়ক, গাছা ইউনিয়ন ছাত্রদল। সাবেক সদস্য গাজীপুর জেলা ছাত্রদল। সাবেক সি:যুগ্ম সম্পাদক, বৃহত্তর গাজীপুর সদর উপজেলা ছাত্রদল। সাবেক সি:সহ সভাপতি টঙ্গী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদল। সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সহ সভাপতি, গাজীপুর মহানগর যুবদল। প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক, গাছামেট্রো থানা যুবদল। সাধারণ সম্পাদক, গাছামেট্রো থানা বিএনপি। বিগত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে যার ছিলো অবাধ বিচরন, সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার অসীম সাহস, ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে একাধিক রাজনৈতিক মামলা হামলায় ছিলো মোস্ট ওয়ান্টেড… কামাল উদ্দিন ভাই কোন জাতীয় পার্টি আর জাসদ থেকে আসা লোক না… একদম অরিজিনাল মেইড ইন বিএনপি। ইনশাআল্লাহ্ দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র গঠনের ৩১দফা বাস্তবায়নে কামাল উদ্দিন ভাইয়ের নেতৃত্বে গাছামেট্রো থানা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠন এগিয়ে যাবে…কামাল উদ্দিন ভাই আছেন থাকবেন হাজারো নেতা কর্মীর আস্থায় ভালোবাসায়…ভালোবাসা অবিরাম ভাই। এ ব্যাপারে কামাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি কখনই আমার দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে যাব না। আমি ১৯৯০ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে আমার রাজনীতিতে আসা। আমি গাছা ইউনিয়র ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ছিলাম। সদর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম সচিব ছিলাম। টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলাম। গাজীপুর মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলাম। গাছা থানা যুবদলের আহ্বায়ক ছিলাম। দীর্ঘদিন যাবৎ গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সুনামের সহিত পালন করে আসছি। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যে সকল আনীত অভিযোগ আনা হয়েছে কোনটার সাথে আমি জড়িত না। আমার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রি মহল র্দীঘদিন যাবৎ শত্রুতা করে আসছে। সেই মহলটি হয়ত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে ভুল বুঝিয়েছে। আমার শরীরে বিএনপির রক্ত। পদ পদবী বড় কথা নয়। জাতীয়তাবাদী বিএনপির সাথে ছিলাম আছি আমৃত্যু থাকব ইনশাআল্লাহ।