মোঃ আক্তার হোসেন ডালি:: আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার আপিল শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের অনিহা ও গড়িমসির কারণে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা অতিরিক্ত সাজাভোগ করছেন। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে টঙ্গীর বিএনপি নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম সরকার ফাঁসির সেলে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে নিহত হন আহসান উল্লাহ মাস্টার| আর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে সাজানো মামলায় বলির পাঁঠা হন নূরুল ইসলাম সরকার।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নূরুল ইসলাম সরকারের মুক্তি দাবিতে টঙ্গীতে একাধিকবার বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে| যেখানে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত আপিল শুনানির অপেক্ষায় থাকলেও রাষ্ট্রপক্ষের রহস্যজনক অনিহার কারণে বারবার তারিখ পেছানোয় হতাশা বাড়ছে টঙ্গীবাসীর মধ্যে। টঙ্গী সচেতন নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম খান কালা বলেন, “সাজানো ও মিথ্যা সাক্ষীর ভিত্তিতে নূরুল ইসলাম সরকারকে সাজা দেওয়া হয়েছে। তিনি কারাবন্দী না থাকলে ২০০৬ সালের টঙ্গী পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজমত উল্লাহ খান জয়ী হতে পারতেন না।” গাজীপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. লিয়াকত আলী অভিযোগ করেন, “নূরুল ইসলাম সরকারের বিপুল জনপ্রিয়তাই তার জন্য কাল হয়েছে। এ ষড়যন্ত্রের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তৎকালীন গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান।” টঙ্গীবাসীর দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম সরকারকে দ্রুত ন্যায়বিচার দিয়ে মুক্তি দিতে হবে, নইলে এ অন্যায়ের দায় রাষ্ট্রকেই নিতে হবে।