June 8, 2026, 12:32 am

সবুজ চট্টগ্রাম গড়তে ১০ লাখ গাছ রোপণ করা হচ্ছে : চসিক মেয়র

Reporter Name
  • আপডেট Sunday, June 7, 2026
  • 3 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: চট্টগ্রাম শহরকে আরও সবুজ, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে ১০ লাখ গাছ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই। আজ রোববার (৭ জুন) বিন্নাঘাস প্রকল্প এলাকায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষ পরিচর্যা কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের ঘোষণা দিয়েছেন, যা একটি দূরদর্শী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় নগরজুড়ে ১০ লাখ গাছ রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
তিনি জানান, কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত সড়কের সব মিড-আইল্যান্ড ফুল ও সবুজে ভরিয়ে তোলা হবে। পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন খালি জায়গা, পার্ক ও উন্মুক্ত স্থানে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এরইমধ্যে দেওয়ানহাট থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত সড়কদ্বীপে ২৬ প্রজাতির ৬ হাজার ৫০০টি চারা রোপণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে জারুল, সোনালু, রাধাচূড়া, কামিনী, কাঞ্চন, হাসনাহেনা, গন্ধরাজ ও শিউলিসহ বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির গাছও রয়েছে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিদিন পানি দেওয়া, আগাছা পরিষ্কারসহ প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা মহামারির সময় মানুষ অক্সিজেনের গুরুত্ব নতুনভাবে উপলব্ধি করেছে। গাছ আমাদের জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চট্টগ্রাম প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ভরপুর একটি নগরী। সমুদ্র, পাহাড়, নদী, খাল ও জলাশয়ে সমৃদ্ধ এ নগরীর প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মেয়র কর্ণফুলী ও হালদা নদীসহ নগরীর খাল ও জলাশয় রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যত্রতত্র প্লাস্টিক, পলিথিন ও অন্যান্য বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বর্জ্য শেষ পর্যন্ত খাল-নদীতে গিয়ে জমা হয়ে পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। অনুষ্ঠানে চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ, বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর