মোঃ জাফর আলী: গাজীপুরের টঙ্গীতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের উদ্যোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুটি ওয়াশিং কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) টঙ্গীর ফকির মার্কেট, দেওড়া ও ভাদাম মুদাফা রোড এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মনিজা খাতুন। তিনি বলেন, অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের দায়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং দুটি কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। অবৈধ গ্যাস ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অভিযানের প্রথম স্পটে “এফ টু আর টেক্স সলিউশন” নামের একটি অবৈধ ওয়াশিং কারখানায় ৩/৪ ইঞ্চি কিলের মাধ্যমে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিল। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ২০০ ঘনফুট/ঘণ্টা ক্ষমতাসম্পন্ন ২টি ওভেন এবং ৯০০ ঘনফুট/ঘণ্টা ক্ষমতাসম্পন্ন ১টি বয়লার বিচ্ছিন্ন করা হয়। দ্বিতীয় স্পটে “বিসমিল্লাহ জিন্স প্রসেসিং প্লান্ট” নামের আরেকটি অবৈধ কারখানায় একইভাবে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকেও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এখানে ২০০ ঘনফুট/ঘণ্টা ক্ষমতাসম্পন্ন ৪টি ড্রায়ার ও ১৫০০ ঘনফুট/ঘণ্টা ক্ষমতাসম্পন্ন ১টি বয়লার বিচ্ছিন্ন করা হয়। অভিযানকালে আনুমানিক ১৪০ ফুট অবৈধ গ্যাস পাইপলাইন অপসারণ করা হয়। সর্বমোট বিচ্ছিন্নকৃত গ্যাস লোড ছিল ৩৬০০ ঘনফুট প্রতি ঘণ্টা। এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। অভিযানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল তিতাস গ্যাসের টঙ্গী আঞ্চলিক বিপণন কেন্দ্র (জোবিই-টঙ্গী) ও আবিবি-জয়দেবপুর। এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। অভিযানের সময় তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (টঙ্গী জোন) প্রকৌশলী মিজবা-উর-রহমান, উপ-ব্যবস্থাপক (গাজীপুর) গোলাম রব্বানী, টঙ্গী জোনের উপসহকারী প্রকৌশলী নাঈম হাসান, সহকারী প্রকৌশলী প্রকৌ.আব্দুল ওয়াহাব, তিতাস গ্যাসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।