June 1, 2026, 9:52 pm

হবিগঞ্জে শহীদ মুয়াজ্জিন ইরফান আলীর পরিবারকে মিথ্যা ডাকাতির মামলা দিলো খুনীরা

Reporter Name
  • আপডেট Thursday, June 15, 2023
  • 168 জন দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: হবিগঞ্জে ঈদের দিন গান-বাজনার বিরোধীতা করায় খুন হওয়া শহীদ ইরফান আলীর পরিবারকে মিথ্যা ডাকাতির মামলা দিয়েছে খুনিরা। গত ৫ই জুন, ২০২৩ তারিখে মুয়াজ্জিন ইরফান আলী খুনের মামলার প্রধান আসামী আনোয়ার আলীর স্ত্রী রাবিয়া বেগম হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কগ-৬ ফকরুল ইসলামের আদালতে এ মিথ্যা মামলাটি দায়ের করে। মামলা নম্বর-সিআর-২৯৭/২৩। উক্ত মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়, মুয়াজ্জিন ইরফান আলী খুনের মামলার বাদী পুত্র বায়জিদ লিটন, আরেক পুত্র রিপনসহ, ইরফান আলীর চাচাতো ভাই ও শ্যালকসহ মোট ১৯ জন আত্মীয়কে। ইরফান আলীকে নৃশংসভাবে হত্যার সময় যারা মিডিয়া ও থানায় ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্বাক্ষী হয়েছেন তাদের প্রত্যেককেই এ মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়। মামলায় দাবী করা হয়, ইরফান আলীর আত্মীয় স্বজন নাকি খুনীর পরিবারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ৪০ লক্ষ টাকার মালামাল ও নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙকার ডাকাতি করেছে।

এদিকে ডাকাতি মামলার তদন্ত পুলিশকে দেয় আদালত। জানা গেছে, পুলিশের একটি ইনভেস্টিগেশন বিভাগ গায়েবী তদন্ত রিপোর্ট করেছে, তদন্তে তারা ইরফান আলীর পরিবারের কারো সাথেই কোন প্রকার যোগাযোগ করা হয়নি।  এতে ইরফান আলীর পরিবার ভয়ের মধ্যে আছে। কারণ মিথ্যা তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা পড়লে তাদের সবার নামে ওয়ারেন্ট জারি হয়ে যাবে। এতে খুনের বিচার চাওয়ায় আসামী হয়ে জেলে পচতে হবে। উল্লেখ্য, মুয়াজ্জিন ইরফান আলী হত্যা মামলার ২৭ জন আসামীর মধ্যে মাত্র ৩ জন বর্তমানে জেলে আছে, আর বাকিরা বাইরে। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে নেয়।  বর্তমানে ইরফান আলীর পুরো পরিবারের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করায় ইরফান আলী হত্যার ন্যায়বিচার পাওয়া প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাড়িয়েছে।  তাছাড়া ঈদের দিন হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের উর্ধ্বতন মহল ইরফান আলীর বাসায় গিয়ে বিচারের আশ্বাস দিলেও বর্তমানে অজ্ঞাত কারণে কারণে তাদের মধ্যে এক প্রকার নিষ্ক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এর ফলে ইরফান আলীর পরিবারের ন্যায়বিচার পাওয়ার শেষ আশার যায়গাটুকুও নিঃশেষ হয়ে গেছে। এ মুহুর্তে মিথ্যা মামলা থেকে মুয়াজ্জিন ইরফান আলীর পরিবারকে বাঁচিয়ে হত্যামামলার বিচার এগিয়ে নেয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনারা সবাই ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করুন, ব্যাপক ভাইরাল করুন, যেন বিষয়টি প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের নজরে আসে। বিশেষ করে তার পরিবারকে যেন মিথ্যা ডাকাতি মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের আওতায় এনে, অতিসত্বর চার্জশিট দিয়ে বিচার নিশ্চিত করা হয়। 

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর