বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন আগামী ১২ই জুন ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এবং একাধিক স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। আওয়ামীলীগ সহ বিভিন্ন দলের মনোনীত মেয়র প্রার্থীরা তাদের পক্ষে জনমত বাড়ানোর জন্য নির্বাচনী ইশতেহার বা উন্নয়ন মূলক প্রতিশ্রুতি জনগনের সামনে তোলে ধরছে। নির্বাচনের তারিখ যতই এগিয়ে আসছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণাও দিন দিন বাড়ছে। এরই অংশ হিসেবে ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক দল ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (হাতপাকা) মার্কায় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার লক্ষে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। বাংলাদেশের জনগন শতকরা ৯৫% পার্সে›টের চেয়ে বেশি মুসুলমান সংখ্যা গরিষ্ঠতা। সে লক্ষ্যে ধর্মপ্রাণ মুসুলমানদের সমর্থন একচেটিয়া ভাবে হাতপাকায় ভোট দেওয়ার জন্য নির্বাচনী জনসেবায় মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন হাতপাকা মার্কায় ভোট দিলে ভোট পাবে আল্লাহর নবি ও ইসলামের পক্ষের প্রার্থী। নৌকায় ভোট দিলে ভোট পাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামীলীগ। ধানের র্শীষে ভোট দিলে ভোট পাবে খালেদা জিয়া বি.এনপি। লাঙ্গল মার্কায় ভোট দিলে ভোট পাবে এরশাদ।
এছাড়াও তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দেন মেয়র নির্বাচিত হলে সরকারি সুবিধা বেতন ভাতা গ্রহন করবেন না বরং জনগনের কল্যাণে তা খরচ করবো। তিনি আরও বলেন, ৫০ বছরে যা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নয়ন হয়নি তা আমাকে নির্বাচিত করলে তার চাইতে বেশি উন্নয়ন করে দেখাবো। বক্তব্যটি সারাদেশ ব্যাপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যপক প্রচার ও সমালোচনার তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ আসাদুজ্জামান (হাতি মার্কা) রিটানিং অফিসার বরাবর হাতপাকা মার্কা প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার ধর্মীয় অনুভূতিতে আগাত দিয়ে প্রচার করায় তা বন্ধের জন্য অভিযোগ দাখিল করে। যাহা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ১৪ নভেম্বর ২০১৬ গেজেট এর অতিরিক্ত সংখ্যায় সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচারণ) বিধি মালা ১৮ ক এর সাংঘরসিক। এ ব্যাপারে আসাদুজ্জামন বলেন নির্বাচন একটি গনতান্ত্রিক পদ্ধতি। তার এমন বক্তব্য ইসলাম ধর্মে চরম ভাবে আগাত প্রাপ্ত হয়। আমি এর তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।