April 21, 2026, 12:30 am

টঙ্গীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি কারিগরা

Reporter Name
  • আপডেট Wednesday, March 26, 2025
  • 90 জন দেখেছে

মো: মুর্শিকুল আলম:: পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের ঈদকে সামনে রেখে গাজীপুর মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় দর্জি কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দম ফেলানোর সময় নেই তাদের। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাপড় কাটা আর সেলাইয়ের কাজ করছেন। আর মাত্র অল্পকয়েকদিন পরই ঈদ। এই ঈদকে সামনে রেখেই দর্জিদের ব্যস্ততা বাড়ছে। বাহারি ডিজাইনের পোশাকে বাজার সয়লাব থাকলেও এখন তৈরি পোশাকের চাহিদার কমতি নেই। বিরামহীনভাবে চলছে সেলাই যন্ত্রের খটখট শব্দ।
মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কাটার মাস্টারের কাঁচি চলছে নতুন কাপড়ের ওপর। সেই কাপড় চলে যাচ্ছে কারিগরের হাতে। কারিগরেরা দিনরাত পরিশ্রম করে তৈরি করছেন নতুন পোশাক। কারখানাজুড়ে সেলাই মেশিনের ঘটঘট শব্দ। প্রচণ্ড গরমে শরীরে ঘাম ঝরলেও মনের আনন্দে সেলাই করছেন দর্জিরা। অবিরাম ঘুরছে সেলাই মেশিনের চাকা। তৈরি হচ্ছে শার্ট, প্যান্ট, পাজামা, পাঞ্জাবিসহ মেয়েদের বাহারি ডিজাইনের সব পোশাক।
টঙ্গী বাজার, কলেজ গেট, চেরাগআলী মার্কেট, সফিউদ্দিন মার্কেট, পাগাড় ফকির মার্কেট, বউ বাজার, জামাই বাজার, হোসেন মার্কেট, গাজীপুরা, সাতাইশ, খাঁপাড়া, আউচপাড়া, ফকির মার্কেট, মন্ডল মার্কেট, মিলগেইট নামা বাজার, মিরের বাজার, পূবাইল বাজারসহ বিভিন্ন অলি-গলিতে নতুন কাপড় তৈরিতে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। কেউ কেউ অর্ডার দিচ্ছেন নতুন শার্ট-প্যান্টের, অনেকে অর্ডার দিচ্ছেন নতুন পাঞ্জাবি, অনেক মহিলা ক্রেতারা অর্ডার দিচ্ছেন জামা। প্রতি পিস প্যান্ট সেলাই হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা, শার্ট ৪৫০-৫০০ টাকা, মেয়েদের লেহেঙ্গা ৮০০-১২০০ টাকা, থ্রি পিস প্রকারভেদ অনুযায়ী ৪০০-৮০০ টাকা, ব্লাউজ-পেটিকোট ২০০-৩০০ টাকা, বাচ্চাদের পোশাক ডিজাইনের ওপর নির্ভর করে নেওয়া হয় মজুরি। নির্দিষ্ট সময়ের মাঝে তৈরি পোশাক সরবরাহ করতে হবে অর্ডারকৃত ক্রেতাদের কাছে।
টঙ্গীর তিস্তার গেইট এলাকায় কাপড় তৈরি করতে এসেছেন মাদ্রসার ছাত্র মো: রুবেল। তিনি বলেন, ‘ঈদের সময় সবাই চায় নতুন পোশাক পরতে। তাই নিজের পছন্দমতো পাঞ্জাবির কাপড় গজ আকারে কিনে দর্জির দোকানে বানাতে দিয়েছি। দর্জি দিয়ে বানানো কাপড় অনেকদিন ব্যবহার করা যায়।
ফকির মার্কেটের মেসকো টেইলার্সে আসা মতিউর রহমান বলেন, প্রতি বছর নতুন কাপড় দর্জি দিয়ে বানিয়ে ঈদ করি। তবে অন্য বছরের তুলনায় এ বছর কাপড়ের দাম একটু বেশি। আবার কাপড় তৈরির মজুরিও বেড়েছে।
মেসকো টেইলার্সের মালিক মাসুম মিয়াকে বলেন, সকাল থেকে রাতভর কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা মোতাবেক পোশাক তৈরি করে দিচ্ছি। এতে ক্রেতারাও সময়মতো নতুন কাপড় পেয়ে সন্তুষ্ট। আমরা আশা করছি যদি বিদ্যুতের সমস্যা না হলে অর্ডার করা মালামাল সময় মতো ডেলিভারি দিতে পারবো।

সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই সম্পর্কিত আরও খবর