নিজস্ব প্রতিবেদক :: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের দত্তপুর বাসস্ট্যান্ডের(কানুরামপুর) পেট্রোল পাম্পের পূর্ব পাশের মাদরাসাতুল মাদীনা ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার শিক্ষার্থীকে বলাতকার করার অভিযোগে শিক্ষক ওহাবীবাদী মৌলভি খলিলুল্লাহকে গণপিটুনি দিয়ে এলাকাবাসী আটক করে। খবর নিয়ে জানাযায় কাঠ ব্যবসায়ি মারফত মিয়ার কাছ থেকে বাসা বাড়া নেয় নান্দাইলের মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কাদিরপুর গ্রামের মৌলভি কিফায়াতুল্লাহ। বিগত একবছর পূর্বে তিনি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্টান করার জন্য।স্থানীয়দের কাছ থেকে জানাযায় কেফায়াতুল্লা হলেন এ মাদরাসার পরিচালক।তারই ছোট ভাই ওহাবী মৌলভি খলিলুল্লাহ মুহতামিম বা প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে।কোমলমতি ছেলেদেরকে ধর্মীয় শিক্ষা দেয়ার লক্ষে এলাকার ধর্মপ্রান লোকজন মাদরাসা এমনকি মৌলভি খলিলের প্রতি মুহব্বত বাড়ে। এরই ফলশ্রুতিতে সাধারন লোকজন মাদরাসায় ছেলে পাঠায় আদব কায়দা শিক্ষার জন্য।
অপরদিকে ওহাবী মৌলভি লম্পট দুশ্চরিত্র খলিল আড়ালে কোমলমতি ছাত্রদেরকে বলাতকার করে আসছে অভিযোগ উঠে। গত বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) নান্দাইল দত্তপুর খুররম খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের নৈশপ্রহরী ছিদ্দিকের নাতিকে বলাতকারের অভিযোগে লম্পট মৌলভি খলিলুল্লাহ কে এলকাবাসী মাদরাসায় আটক করে।একপর্যায়ে অনেক লোক জমায়েত হলে মাদরাসার সাইনবোর্ড ছিরে নামিয়ে পেলে।নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মৌলভিকে উদ্বার করে থানায় নিয়ে যায়।
এমন ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তুলপার শুরু হয়।এব্যাপারে বলাতকারের স্বীকার ছেলের দাদা ছিদ্দিক প্রতিনিধিকে বলেন মনেকরতাম মৌলবি ভালো।তবে কোমলমতি ছেলের সাথে এমন ন্যাক্বার ঘটনায় আমি হতবাক। এরকম লম্পট মৌলবি থেকে দেশবাসী সাবধান।আমি এর তীব্র-নিন্দা প্রতিবাদ জানাই।