স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর :: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক সুষম সমাজ প্রতিষ্ঠা, উন্নত-সমৃদ্ধ জাতি গঠন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করতে দেশের সর্ববৃহৎ ও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব একসিলেন্স হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন। দেশের উচ্চশিক্ষার শতকরা ৭০ ভাগ এবং প্রায় আড়াই হাজার সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও প্রফেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আজ রবিবার সকালে বিশেষ সিনেট অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এআই ও ডেটা সায়েন্স-এর উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রথম পর্যায়ে ৫০ হাজার ছাত্রীকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ পাবে ছাত্ররা। এজন্য দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, অধিভুক্ত কলেজে ক্যারিয়ার ক্লাব গঠন এবং বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও ল্যাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এরইমধ্যে ভার্চুয়াল লার্নিং সেন্টার, ইনস্টিটিউট অব ফরেনসিক সায়েন্স অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি, আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ইনস্টিটিউট অব মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম, ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেন্সিং অ্যান্ড জিআইএস, ব্রিটেনের স্যালফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঙ্গে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-স্যালফোর্ড সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর এমার্জিং টেকনোলজিস প্রতিষ্ঠা ও অ্যাপ্রেন্টিসশিপ প্রোগ্রাম চালু, সেন্টার অব এক্সিলেন্স গঠন, মাল্টিমিডিয়া ও অনলাইন স্টুডিও, ইন্ডাস্ট্রি একাডেমিয়া লিংকেজ, একাডেমিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে ৩১টি বিষয়ে পিএইচডি ও এমফিল প্রোগ্রামের পাশাপাশি মাস্টার ইন ডেভেলপমেন্ট এন্ড পলিসি স্টাডিজ-এমডিপিএস এবং মাস্টার অব পাবলিক হেলথ-এমপিএইচ কোর্স প্রবর্তন, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সকল জেলায় পরীক্ষা কেন্দ্র নির্মাণ, নতুন আঞ্চলিক কেন্দ্র নির্মাণ এবং জেলা কলেজ মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বিশেষ সিনেট অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান ও প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, ৫৪ জন সিনেট সদস্য এবং ডিন, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক ও বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালবৃন্দ।