হযরত মাওলানা মুহম্মদ আবুল বাশার:: ১৪৪৭ হিজরী সনের প্রথম মাস মুহররম।এমাসের দশ তারিখ হলো আশুরা।এ আশুরা শরীফে রোযার ফজিলত রয়েছে।৫মুহররম শরীফে জুময়া’বার দিবাগত রাতে সাহরী খেয়ে শনিবার এবং রবিবার অথবা রবিবার এবং সোমবার দুটি রোযা রাখতে হবে।পবিত্র আশুরা শরীফ উপলক্ষে দু’দিন রোযা রাখা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
অর্থ : হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফের ফরয রোযার পর উত্তম রোযা হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার মাস পবিত্র মুহররম শরীফ মাসের রোযা।”(মুসলিম শরীফ- কিতাবুছ সিয়াম, বাবু ফাদ্বলি সাওমু মুহররম : হাদীস শরীফ নম্বর ১১৬৩।অর্থ : হযরত আব কাতাদাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র আশুরা শরীফের রোযা পালনে আমি মহান আল্লাহ পাকের দরবারে আশা করি যে, তিনি (উম্মতের) বিগত বছরের গুনাহখতা ক্ষমা করে দিবেন।” (মুসলিম শরীফ, কিতাবুছ ছিয়াম) হাদিসে বর্ণিত রয়েছে -অর্থঃ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত। নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ৯ ও ১০ই মুহররম শরীফ রোযা রেখে ইহুদীদের খিলাফ তথা বিপরীত আমল কর।” (তিরমিযী শরীফ)